Hello, assalamoalaikom, I am rasel, you will get news,tips,picture,video,funny video.I will try, I give you trusts news. so follow this wapsite.
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
১৫ এপ্রিল, ২০২২
১৩ এপ্রিল, ২০২২
২৫০০ ফেইসবুক আইডি 'হ্যাক': 'ব্ল্যাকমেইলে' পঞ্চম শ্রেণি পাস যুবক
প্রায় আড়াই হাজার ফেইসবুক আইডি হ্যাক করার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দারা বলছেন, পঞ্চম শ্রেণি পাস এ যুবক এসব আইডিধারীদের কাছ থেকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগ রোববার রাতে ঢাকার আশুলিয়া থেকে লিটন ইসলাম (২৮) নামের এ যুবককে গ্রেপ্তার করে।
অর্গানাইজড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. নাজমুল হক জানান, লিটন প্রথমে অনলাইনে ফিশিং লিংক তৈরি করে ছবি ও ভিডিও যুক্ত করে ফেইসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে।
"শেয়ার করা লিংকে ইউজার নেইম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করার চেষ্টা করামাত্রই ওই পাসওয়ার্ড ও ইউজার নেইম হ্যাকারের কাছে চলে যায়। হ্যাকার তখন পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে অ্যাকাউন্টটি দ্রুত তার নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়। তারপর নিয়ন্ত্রণে নেওয়া আইডির মেসেঞ্জারে থাকা বিভিন্ন ব্যক্তিগত তথ্য ও ছবি বা ভিডিও সংগ্রহ করে ডাউনলোড করে তা সংরক্ষণ করে।"
তিনি বলেন, "পরবর্তীতে লিটন টার্গেট ব্যক্তিকে মেসেঞ্জারে বার্তা প্রদান করে হ্যাকিংয়ের বিষয়ে অবগত করে টাকা দাবি করে। কেউ টাকা দিতে না চাইলে তার ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও ইত্যাদি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ইন্টারনেটে ভাইরাল করে দিবে বলে হুমকি দিত।"
এ বছরের ২৩ জানুয়ারি আনোয়ার হোসেন নামে একজন ঢাকার কদমতলী থানায় একটি মামলা করেন। ওই মামলার ছায়া তদন্তকালে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় হ্যাকারের অবস্থান শনাক্ত করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশ কর্মকর্তা নাজমুল জানান।
গ্রেপ্তারের সময় তার কাছে হ্যাকিংয়ের কাজে ব্যবহৃত কম্পিউটারের একটি সিপিইউ, দুইটি মোবাইল ফোন ও ১০টি সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়। তাছাড়া প্রায় ২৫০০ দেশি-বিদেশি ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট লগইন করার প্রয়োজনীয় ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ডের তথ্যও মিলেছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার লিটন জানিয়েছেন, তিনি পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করেছেন। এরপর কম্পিউটারের বিভিন্ন বিষয় শিখেছেন। গ্রাফিক্সের কাজও জানেন তিনি।
হ্যাক করা আইডিধারীদের কাছ থেকে এ যুবক বড় অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের কাছে স্বীকার করেছেন।
আরও জিজ্ঞাসাবাদে এ যুবককে একদিনের রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ।
এ ধরনের প্রতারণা এড়াতে গোয়েন্দা সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগ কিছু পরামর্শ দিয়েছে-
>> সাইবার স্পেসে অপরিচিত কোনো আইডি থেকে পাঠানো কোনো লিংকে প্রবেশ না করা।
>> সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপরিচিত কোনো আইডির সঙ্গে বন্ধুত্ব না করা।
>> সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যথাযথ সিকিউরিটি সেটিংস ব্যবহার করা।
>> সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনো স্পর্শকাতর তথ্য, ছবি বা ভিডিও শেয়ার না করা।
১১ এপ্রিল, ২০২২
নবীজির কথা বিজ্ঞানীদের গবেষণায় ১০০ তে ১০০% মিলে গেছে
মুহাম্মদ (সাঃ) এর ১৪০০ বছর আগে বাণী আজ বিজ্ঞানীরা প্রমাণ পেয়েছে মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন, "পুরুষের প্যান্ট বা কাপড় পায়ের টাখনুর উপর পড়তে হবে। অন্যথায় তারা জাহান্নামে যাবে।" - (সহীহ বুখারী ৫৩৭১)
বিজ্ঞান বলে, পুরুষের টাখনুর ভিতর প্রচুর পরিমানে হরমোন থাকে এবং তার আলো বাতাসের প্রয়োজন হয়। তাই কেউ যদি তা খোলা না রেখে ঢেকে রাখে, তাহলে তার যৌনশক্তি কমে যাবে এবং বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হবে।
মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন, "ভ্রু প্লাগকারীর উপর আল্লাহর লানত" - (সহীহ বুখারী ৫৫১৫)
বিজ্ঞান বলে, ভ্রু হলো চোখের সুরক্ষার জন্য। ভ্রুতে এমন কিছু লোম থাকে যদি তা কাটা পড়ে যায় তাহলে ভ্রুপ্লাগকারী পাগল হতে পারে, অথবা মৃত্যুবরণও করতে পারে।
রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, "নেশা জাতীয় দ্রব্য খাওয়া হারাম" - (সহীহ বুখারী ৬১২৪)
বিজ্ঞান বলে, ধুমপানের কারনে ফুস্ফুসের ক্যান্সার, ব্রংকাইটিস ও হৃদরোগ হয়ে মানুষ মারা যায়। ধূমপান করলে ঠোট, দাতের মাড়ি, আঙ্গুল কালো হয়ে যায়। যৌনশক্তি ও ক্ষুধা কমে যায় এমনকি স্মৃতিশক্তি ও কমে যায়।
রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, "পুরুষের জন্য স্বর্ণ ব্যবহার হারাম।" - (মুসলিম ১৬৫৫)
বিজ্ঞান বলে, স্বর্ণ এমন একটি পদার্থ যা স্কিনের সাথে মিশে ব্লাডের মাধ্যমে ব্রেনে চলে যায়। আর তার পরিমান যদি ২.৩ হয় তাহলে মানুষ তার আগের স্মৃতি সব হারিয়ে ফেলবে।
রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ঘুমানোর সময় আলো নিভিয়ে এবং ডান কাত হয়ে ঘুমাতে। - (সহীহ বুখারী ৩২৮০)
বিজ্ঞান বলে, ডান কাত হয়ে ঘুমালে হার্ট ভালো করে পাম্প করে। আর লাইট না নিভিয়ে ঘুমালে ব্রেনের এনাটমি রস শরীরে প্রবেশ করতে পারে না, যার ফলে ক্যান্সার হওয়ার খুব সম্ভবনা থাকে।
রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, "তোমরা গোফ ছেটে ফেল এবং দাড়ি রাখ।" - (সহীহ মুসলিম ৪৯৩ ও ৪৯৪) বিজ্ঞান বলে, দাড়ি না রাখলে স্ক্রিন ক্যান্সার, ফুস্ফুসের ইনফেকশন এবং ৪০ এর আগে যৌবন হারানোর সম্ভবনা থাকে।
আল্লাহ সুবনাহু তায়ালা বলেন, "আর ব্যভিচারের কাছেও যেয়োনা। নিশ্চয় এটা অশ্লীল কাজ এবং ধ্বংসের পথ।" - (বনি ইসরাঈল ৩২) নেশাগ্রস্থ শয়তানের কাজ (মাইদাহ ৯০)
বিজ্ঞান বলে, পর্নোগ্রাফি ও অশ্লীল সম্পর্ক সহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য নেশায় যদি কেউ জড়িয়ে পড়ে, তাহলে তার ব্রেনের ফরেন্টাল এরিয়া পরিচালনা করার ইনটেলেকচুয়াল সেলগুলো থরথর করে কাপতে থাকে এবং অস্থির হয়ে যায়। যার ফলে সে নেশাগ্রস্থ হয়ে মাতাল ও অসুস্থের মত জীবন পরিচালনা করে। এবং তা তাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়।
আল্লাহ বলেন, "আর যখন কোরআন পাঠ করা হয়, তখন তাতে কান লাগিয়ে রাখ এবং নিশ্চুপ থাক যাতে তোমাদের উপর রহমত হয়।" - (আরাফ ২০৪)
বিজ্ঞান বলে, কুরআনের সাউন্ড ওয়েব শরীরের সেলগুলোকে সক্রিয় করে, অসুস্থতা আরোগ্য করে বিশেষ করে হার্ট এবং ক্যান্সার রোগীদের। আর ব্রেনকে এমনভাবে চার্জ করে, ঠিক যেমন ভাবে ফিউজ হওয়া ব্যাটারীকে সচল করা হয়।
১০ এপ্রিল, ২০২২
যেসব বদভ্যাসে ৪০ পেরোলেই পুরুষরা আক্রান্ত হন হার্ট অ্যাটাকে
বেশির ভাগ সময় দেখা যায় পুরুষরা তাদের স্বাস্থ্য নিয়ে অবহেলা করেন। কারণ, তারা নিজেদের স্বাস্থ্য নিয়ে একটু বেশি আত্মবিশ্বাসী থাকেন। অথচ একটা বয়সের পর তাদেরও নানা সমস্যায় পড়তে হয়। এ জন্য অন্যদের মতো তাদের উচিত কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যেকোনো মানুষের মতো পুরুষ মানুষেরও স্বাস্থ্যের সমস্যা দেখা দিতে পারে। আগে যেখানে বেশি বয়সে সমস্যা দেখা দিত, সেখানে এখন অনেক কম বয়সেই পুরুষরা বেশকিছু জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।
ডায়াবেটিস, ব্লাড প্রেশার, কোলেস্টেরলসহ নানা রোগের ফলে বেড়ে যাচ্ছে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি। এখন কম বয়সেও পুরুষরা হৃদ্রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। এমনকি এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর আশঙ্কাও বাড়ছে। চোখের সামনেই আমরা শেন ওয়ার্নের উদাহরণ পেতে পারি।
অথচ গুরুতর এসব রোগের পেছনে আছে আমাদের বাজে খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রা। তাই ব্যস্ত জীবনের এসব ভুলেই হয়ে যাচ্ছে জটিলসব রোগ।
একটা বয়স পর্যন্ত কিছু ধকল আমাদের শরীর সহ্য করতে পারে। কিন্তু সেই বয়স পেরিয়ে গেলে প্রতিটি মানুষের সচেতন হওয়া প্রয়োজbন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ৪০ বছর বয়স হলো এ ক্ষেত্রে মানদণ্ড। তাই এই সময় থেকেই দূর করতে হবে কিছু বদভ্যাস।
আসুন জেনে নেওয়া যাক কী সেই বদভ্যাসগুলো:
অলস জীবন :
অলস জীবন হলো রোগের বাসা। অফিস-আদালতে আমরা সাধারণত বসেই কাজ করি। যার ফলে মস্তিষ্কের ব্যবহার হলেও আমাদের শরীর তেমন খাটে না। এদিকে সারা দিন মাথা খাটিয়ে কাজ করার পর রাতের বেলায় একটু সময় পাওয়া গেলেও শুয়ে-বসেই কাটিয়ে দেওয়া হয়। সুতরাং বলা যায়, আমরা একটা অলস জীবনের মধ্য দিয়েই যাই, যা শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতি। তাই প্রতিটি মানুষকে অবশ্যই এ বিষয়টি নিয়ে সাবধান হওয়া প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে দিনে অন্তত ৩০ মিনিট করে সপ্তাহে ৫ দিন ব্যায়াম করা উচিত।
দুশ্চিন্তা:
আমাদের জীবন নানা জটিলতার মধ্য দিয়ে যায়। ঘরসংসার, অফিসসহ সব জায়গাতেই কমবেশি ঝামেলা থাকে। এত কিছুর মধ্যে আমাদের মাথায় চাপ বাড়ে। সামান্য একটু চাপের সঙ্গে তা-ও লড়াই করা যায়। কিন্তু নিয়মিত এসব চাপ বাড়তে থাকলে তার থেকে অবসাদ, উৎকণ্ঠা ইত্যাদি রোগ দেখা দেয়। তাই মাথা থেকে চাপ ও দুশ্চিন্তা কমাতে চাইলে নিয়মিত যোগব্যায়াম করতে হবে।
শরীরের প্রতি নজর না রাখা :
পুরুষ মানুষ বেশির ভাগ সময়ই নিজের শরীরের দিকে নজর দেন না। এ কারণে রোগের কিছু প্রাথমিক লক্ষণও তারা লক্ষ করেন না। এর থেকেই সমস্যা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা থাকে বেশি। কারণ, রোগের প্রথম উপসর্গ চিনতে না পারলে চিকিৎসায় দেরি হয়। আর চিকিৎসায় দেরি হওয়ার অর্থ হলো বড় ধরনের রোগ ও প্রাণঘাতী। তাই প্রথমেই রোগের লক্ষণের দিকে খেয়াল রাখুন। প্রতিবছর একবার করে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান। বিশেষত, ডায়াবেটিস, লিপিড প্রোফাইল, প্রেশার ইত্যাদি জরুরি পরীক্ষা ৪০ পেরোলেই করা উচিত।
ঠিকমতো ঘুম না হওয়া:
সারা দিনের নানা ঝামেলা সামলে রাতের বেলা একটু ঘুম প্রয়োজন। তবে বহু মানুষের কপালে সেই ঘুমটুকু জোটে না। তারা নিজেদের বেশকিছু বদভ্যাসের কারণে ঘুমাতে পারেন না। এর থেকেই মূল সমস্যাটা তৈরি হয়। আসলে ঘুমের মধ্যে শরীর নিজেকে সারিয়ে নিতে পারে। নিয়মিত না ঘুমালে শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি বাধাগ্রস্ত হয়। যার কারণে সুগার, প্রেশারসহ গুরুতর কিছু রোগ দেখা দেয়। তাই সতর্ক থাকুন। আর দিনে অন্তত আট ঘণ্টা ঘুমান।
নেশা :
মদ্যপান ও ধূমপান শরীরের বড় ক্ষতি করে। মদ্যপান করলে লিভার, অন্ত্রসহ বিভিন্ন জায়গায় ক্যানসারের আশঙ্কা বাড়ে। আবার ধূমপান মুখ, গলা ও ফুসফুসের ক্যানসারের কারণ, এটা নিয়েও মানুষকে ভাবতে হবে। তাই নেশাজাতীয় দ্রব্য ছেড়ে দিয়ে সতর্ক হওয়া ছাড়া অন্য কোনো গতি নেই।
৯ এপ্রিল, ২০২২
অনলাইন ফটো বিক্রি
অনলাইন ফটো বিক্রি
আপনি যদি নিয়মিত ছবি তোলেন বা আপনার হার্ড ড্রাইভে প্রচুর ছবি থাকে, আপনি কিছু অর্থ উপার্জনের জন্য স্টক এজেন্সির কাছে সেগুলি বিক্রি করতে পারেন। যখনই কেউ আপনার একটি ছবি ডাউনলোড করবে তখন আপনি একটি কমিশন পাবেন—হয় একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ বা স্টক ইমেজ সাইট দ্বারা নির্ধারিত শতাংশ।
অনলাইনে আপনার ছবি বিক্রি করার জন্য সেরা ওয়েবসাইট:
বিস্ফোরণ
শাটারস্টক,shutterstock.com,আলমি,alamy.com,
iStock.com
আপনি যদি একটি নির্দিষ্ট থিমকে ঘিরে একটি সুন্দর সংগ্রহ তৈরি করেন তবে আপনি এটি থেকে ভাল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারেন। এবং সবচেয়ে ভালো দিক হল আপনার আপলোড করা প্রতিটি ছবি বারবার বিক্রি করা যেতে পারে, যদিও কিছু ওয়েবসাইট আপনাকে তাদের প্ল্যাটফর্মের জন্য ফটোগুলিকে একচেটিয়া করার প্রয়োজন হতে পারে।
চুল পড়া ও খুশকির সমস্যার সমাধান
মাথা বেশিরভাগ সময় ঘেমে থাকলে চুল পড়ার সমস্যা দেখা দেয়। আর এই মৌসুমেও খুশকি থেকে রেহাই মেলে না। 'রেড বিউটি স্যালনের' কর্ণধার ও রূপবিশেষজ্ঞ আফরোজা পারভীন বলেন, "যাদের মাথার ত্বক শুষ্ক সাধারণত তাদের খুশকির প্রবণতা বেশি। আর খুশকির সমস্যার কারণেই চুল পড়ার সমস্যা দেখা দেয়। অন্যদিকে, যাদের মাথার ত্বক তৈলাক্ত তারা ভালো মতো চুল পরিষ্কার করলে এই সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি পেতে পারেন।" তার মতে, মাথার ত্বক তৈলাক্ত হলে নিয়মিত শ্যাম্পু করলে ধীরে ধীরে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। তবে শুষ্ক ত্বকের অধিকারীদের কিছুটা বাড়তি যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন।
শুষ্ক মাথার ত্বকের অধিকারীদের খুশকি দূর করার উপায় :
তেল হালকা গরম করে ভালো মতো মাথার ত্বকে মালিশ করতে হবে। এতে মাথার ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বাড়বে এবং চুলের কূপ উন্মুক্ত হবে।
ফলে তেল মাথার ত্বকে প্রবেশ করবে ও চুলে পুষ্টি যোগাবে। তেল মালিশে অপুষ্ট চুল পুষ্টি পায় এবং পুষ্ট চুলের বৃদ্ধি দ্রুত হয়। মাথার ত্বকে মালিশ করা খুশকি দূর করতেও সহায়তা করে। আর খুশকি কমলে চুল পড়া অনেকটাই কমে আসে বলে জানান, আফরোজা পারভিন।
খুশকি দূর করার ঘরোয়া প্যাক তৈরি:
টক দইয়ের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে মাথার ত্বক ও চুলের গোড়ায় ব্যবহার করে ২০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। এরপর ভালো মতো শ্যাম্পু করে নিতে হবে। এই প্যাক ব্যবহার কেবল চুলের খুশকি দূর করে না বরং চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও সহায়তা করে।
সপ্তাহে কমপক্ষে দুবার এই প্যাক ব্যবহারে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।
ফেসবুক মেসেঞ্জার ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন ফিচার নিয়ে আসছে। এর ফলে অন্যকে টাকা পাঠাতে এবং টাকা সংগ্রহ করতে ব্যবহারকারীদের বেশ সুবিধা হবে।
এ বিষয়ে ফেসবুক এক ব্লগ পোস্টে জানিয়েছে, আমরা খুবই আনন্দিত। কারণ মেসেঞ্জারে আমরা বিশেষ একটি শর্টকাট চালু করতে যাচ্ছি। নতুন এই কমান্ড সিস্টেমের মাধ্যমে আমরা সবাইকে নতুন এক অভিজ্ঞতা দিতে যাচ্ছি। একইসঙ্গে ব্যবহারকারীরা ওই ফিচার ব্যবহার করে বেশ আনন্দ পাবেন। ওই পোস্টে ফেসবুক আরো জানিয়েছে, নতুন ফিচারের মাধ্যমে মেসেঞ্জারে লাঞ্চ, ডিনার বা যেকোনো খরচের বিলের টাকা অন্য ব্যক্তির কাছে পাঠাতে পারবেন।
নতুন এই ফিচার খুব তাড়াতাড়ি চালু করা হবে। এর আগেই স্প্লিট পেমেন্ট ফিচার চালু করা হয়েছে মেসেঞ্জারে। এর ফলে নির্দিষ্ট কোনো বিলের খরচ বিভিন্নজনের মধ্যে ভাগ করে নেওয়া যাবে। জানা গেছে, ফেসবুক দ্রুতই এই ফিচার উন্মুক্ত করতে চলেছে।
এর আগে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কাছে ফেসবুক কনজুমার প্রোডাক্ট হেড মেরন কোলবেকি জানিয়েছেন, আমরা ফেসবুককে এমন একটি প্রডাক্টে পরিণত করতে চলেছি যার মাধ্যমে ফেসবুক থেকে না বেরিয়েই সব কাজ করা যাবে।
প্রাথমিকভাবে মেসেঞ্জারের নতুন এই স্প্লিট পেমেন্টস সিস্টেমটি আইওএস এবং অ্যাড্রয়েট ব্যবহারকারীদের জন্য শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রে উন্মুক্ত হতে যাচ্ছে। মূলত ফেসবুক চাচ্ছে, ব্যবহারকারীরা তাদের আর্থিক বিষয়গুলোও ফেসবুকে সাইন ইন থেকেই সম্পন্ন করুক। এর মধ্যদিয়ে মেটা মালিকানাধীন মেসেঞ্জার বিনামূল্যে ও দ্রুত সময়ে আর্থিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করার প্রক্রিয়া উন্মুক্ত করতে চলেছে। এছাড়াও মেসেঞ্জার ভয়েজ মেসেজের ক্ষেত্রেও নতুনত্ব নিয়ে আসছে। এরফলে ব্যবহারকারীরা ভয়েজ মেসেজ পাঠানোর আগে মেসেজ প্রিভিউ ও এডিট করতে পারবেন। এমনকি মেসেজের সময়সীমা ১মিনিট থেকে ৩০ মিনিট পর্যন্ত করা হবে বলে জানিয়েছে ফেসবুক।
৭ এপ্রিল, ২০২২
বিশ্বের যে ৬ স্থানে কখনো সূর্য ডোবে না!
দিন শেষে রাত আসে, এমনই প্রকৃতির নিয়ম। তবে বিশ্বে এমনও দেশ আছে যেসব স্থানে সূর্য উঠলে অস্ত যায় না, আবার অস্ত গেলে দিনের পর দিন কিংবা মাসের পর মাসও সূর্যের দেখা মেলে না। বিষয়টি অবিশ্বাস্য হলেও সত্যিই। কখনো ভাবতে পারেন বিশ্বে এমনও দেশ আছে যেখানে মাসের পর মাস সূর্য অস্ত যায় না ডোবে না। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক এমনই ৬ স্থান সম্পর্কে-
নরওয়েঃ
আর্কটিক সার্কেলে অবস্থিত নরওয়েকে মধ্যরাতের সূর্যের দেশ বলা হয়। মে থেকে জুলাইয়ের শেষের দিকে প্রায় ৭৬ দিনের জন্য সেখানে সূর্য অস্ত যায় না। সেখানকার আকাশে প্রায় ২০ ঘণ্টা সূর্য দেখা যায় আকাশে। স্যালবার্ড ও নরওয়েতে ইউরোপের উত্তরের সবচেয়ে অধ্যুষিত অঞ্চল। ১০ এপ্রিল থেকে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত সেখান রাত নামে না। ভ্রমণের জন্য এসব অঞ্চল খুবই জনপ্রিয়। কৌতূহলী পর্যটকরা সেখানে গিয়ে ২৪ ঘণ্টাই দিন উপভোগ করতে পারেন।
আইসল্যান্ড ঃ
আইসল্যান্ড গ্রেট ব্রিটেনের পরে ইউরোপের বৃহত্তম দ্বীপ। আইসল্যান্ডে ১০ মে থেকে জুলাই পর্যন্ত দিন থাকে। তখন রাত নামে না, অর্থাৎ সূর্য অস্ত যায় না। সূর্য সর্বদা দিগন্তের উপরে থাকে। আকাশে আলোর খেলা, হাইকিং, বন্যপ্রাণী, তিমি, গুহা, সাইকেল চালানো ও জাতীয় উদ্যান পরিদর্শনের জন্য বছরে হাজারও পর্যটক ভিড় জমান আইসল্যান্ডে।
কানাডাঃ
বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ কানাডার বেশ কয়েকটি অংশ সারা বছর তুষারে ঢাকা থাকে। ইনুভিক ও উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের মতো স্থানে গ্রীষ্মে প্রায় ৫০ দিন সূর্যের আলো থাকে। অরোরা দেখার পাশাপাশি আপনি সেখানে পর্বতারোহণ, হট স্প্রিংস, সাসপেনশন ব্রিজ হাঁটা, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রসারিত সড়ক ভ্রমণ ও অনেক ঐতিহাসিক স্মৃতিস্তম্ভ দেখতে পাবেন।
আলাস্কা ঃ
মে মাসের শেষ থেকে জুলাইয়ের শেষ পর্যন্ত সূর্য অস্ত যায় না আলাস্কায়। শীতে আবার সেখানে সূর্যের দেখা পাওয়া যায় না। সব সময় রাত নেমে থাকে। দর্শনীয় হিমবাহ ও তুষারাবৃত পর্বতমালয় হাইকিংসহ সেখানকার দর্শনীয় স্থান দেখতে ভিড় করেন পর্যটকরা
সুইডেন ঃ
উপরে উল্লিখিত অন্যান্য দেশের তুলনায় সাধারণত উষ্ণ। সুইডেনে সূর্য মধ্যরাতে অস্ত যায়। মে মাসের শুরু থেকে আগস্টের শেষের দিকে ভোর সাড়ে ৪টায় আবার উদিত হয়। মাছ ধরা, গল্ফ খেলা, স্কিইং, অরোরার আলো, জাতীয় উদ্যান পরিদর্শন, নিম্নভূমি ট্রেইল অন্বেষণের জন্য সুইডেন যেতে পারেন আপনিও।
ফিনল্যান্ড ঃ
হাজার হ্রদ ও দ্বীপের দেশ ফিনল্যান্ড। সেখানকার বেশিরভাগ অংশই গ্রীষ্মে ৭৩ দিন একটানা সূর্য দেখা যায়। ফিনল্যান্ডে গেলেও আপনি আকাশে নানা রঙের আলোর খেলা উপভোগ করতে পারবেন। এছাড়া কাচের ইগলুতে সেময় কাটাতে পারবেন। এমনকি স্কিইং করতেও পারেন। সেখানে শরতে গাছের পাতার হলুদাভ বর্ণ মুগ্ধ করবে আপনাকে।
নিজেকে নিরাপদ রেখে যেভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন
ব্রাউজারের ইনকগনিটো মোড বা সিক্রেট মোডের সঙ্গে আমরা সবাই খুব ভালোভাবেই পরিচিত। এখনকার মডার্ন সব ডেক্সটপ ব্রাউজার এবং স্মার্টফোন ব্রাউজারেই ইনকগনিটো মোড থাকে। যখন ইন্টারনেটে ব্যক্তিগত কোনো উদ্দেশ্যে কোনো ওয়েবসাইট ভিজিট করি বা এমন কোনো সংবেদনশীল বিষয়ে ইন্টারনেট ব্রাউজ করি, আমরা চাই সেটি যেন দ্বিতীয় কোনো ব্যক্তি দেখতে না পায়। আর সে উদ্দেশ্যেই ব্রাউজারের ইনকগনিটো মোড বা ইনকগনিটো ট্যাব ওপেন করি।
ইনকগনিটো মোড বা প্রাইভেট ব্রাউজিং হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া, যা এনাবল করে আপনি যদি ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে কোন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করেন। তাহলে আপনার ব্রাউজিং হিস্টরি, ক্যাশ, সেশন, কুকিজ ইত্যাদি ব্রাউজার সেভ করে রাখবে না। আপনি যখনই ব্রাউজিং শেষ করে ব্রাউজার থেকে বের হয়ে যাবেন তখনই তা অটোমেটিক রিমুভ হয়ে যাবে। এতে ব্যক্তিগত তথ্য লুকিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন যেভাবে
ইনকগনিটো মোড যেভাবে কাজ করে যখন ব্রাউজারের ইনকগনিটো উইন্ডো বা ট্যাব ওপেন করা হয়, তখন আপনার ব্রাউজার একটি নতুন ব্রাউজিং সেশন তৈরি করে, যেখানে ব্রাউজারে আগে থেকে সেভ করা কোনো ব্রাউজিং ক্যাশ, হিস্টরি বা কোনো কুকিজ আলাদা করে রাখা হয়। আর এই নতুন সেশনে আপনি যা যা ব্রাউজ করেন, তা থেকে জেনারেট হওয়া ক্যাশ এবং কুকিজ অস্থায়ীভাবে এই নতুন ব্রাউজিং সেশনে সেভ করা হয়। আপনি যেই মুহূর্তে ইনকগনিটো মোড বা ইনকগনিটো ট্যাবটি ক্লোজ করে দেন, তখনই এই নতুন ব্রাউজিং সেশনটি শেষ হয়ে যায় এবং এই সেশনে জেনারেট হওয়া সব ক্যাশ, কুকিজ এবং হিস্টরি-সব কিছু ডিলিট করে দেওয়া হয়, যাতে এরপর অন্য কেউ এই ব্রাউজারটি ব্যবহার করলে তাঁর কাছে ইনকগনিটো মোডে ব্রাউজ করা কনটেন্টগুলোর কোনো ডাটার কোনো হদিস না থাকে।
ইনকগনিটো মোডে ইন্টারনেট ব্রাউজ করার সময় হয়তো খেয়াল করেছেন যে ইনকগনিটো ব্রাউজিং সেশন শুরু করার আগেই প্রায় সব ব্রাউজারে একটি ওয়ার্নিং মেসেজ দেওয়া হয়, যদিও ইনকগনিটো মোড আপনার মূল ব্রাউজিং সেশনের কোনো ক্যাশ বা কোনো কুকিজ বা কোনো ডাটা অ্যাকসেস করে না, তবে আপনার ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডার বা আপনার নেটওয়ার্ক প্রভাইডার, আপনার এমপ্লয়ার নেটওয়ার্ক অ্যাডমিন এবং আপনি ইনকগনিটো মোডে যে ওয়েবসাইট ভিজিট করছেন, সেই ওয়েবসাইটটির সার্ভার চাইলেই আপনাকে ট্র্যাক করতে পারবে। অর্থাৎ ইনকগনিটো মোড ব্যবহার করলেও আপনার কার্যক্রম এদের কাছ থেকে লুকায়িত থাকবে না। এর কারণ হচ্ছে, ইনকগনিটো মোড শুধু সেই সব ব্রাউজিং ডাটা ট্র্যাক না করার নিশ্চয়তা দেয়, যেগুলো আপনার ডিভাইসে লোকালি স্টোর হচ্ছে। অর্থাৎ কোনো ওয়েবসাইট ব্রাউজ করার সময় আপনার ব্রাউজিং অভ্যাস সম্পর্কে যেসব ডাটা আপনার নিজের ডিভাইসে স্টোর হচ্ছে, ইনকগনিটো মোড শুধু সেই ডাটাগুলোকে ট্র্যাক না করার নিশ্চয়তা দিয়ে থাকে।
কিন্তু ইনকগনিটো মোডে ব্রাউজ করার সময়ও আপনি আপনার ভিজিট করা ওয়েবসাইটগুলোর সার্ভারের কাছে যে রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছেন বা সার্ভার থেকে যেসব রিকোয়েস্ট রিসিভ করছেন, এসব ট্র্যাফিক কিন্তু রাউট হচ্ছে আপনার আইএসপি কিংবা আপনার নেটওয়ার্ক প্রভাইডারের সার্ভার থেকেই। সাধারণভাবে ইন্টারনেট ব্রাউজ করলে আপনার রিকোয়েস্টগুলো সার্ভারের কাছে যেভাবে যেত, ইনকগনিটো মোড ব্যবহার করলেও আপনার রিকোয়েস্টগুলো সার্ভারের কাছে অবিকল সেভাবেই যাচ্ছে। সুতরাং ইনকগনিটো মোড বা সিক্রেট মোড ব্যবহারের ফলে এখানে বাড়তি কোনো ধরনের এনক্রিপশন বা বাড়তি কোনো নিরাপত্তা যোগ হয় না। ওয়েবসাইটের যেসব ফিচার ইনকগনিটো মোডে কাজ করতে পারে, যেমন-অ্যালাউ করা ব্রাউজার এক্সটেনশন, অ্যাডোবি ফ্ল্যাশ প্লেয়ার ইত্যাদি টুল আপনার ইনকগনিটো মোডে ব্রাউজ করা ডাটা অ্যাকসেস করতে পারে এবং ট্রেস করার ক্ষমতা রাখে। তাই সব সময় খেয়াল রাখবেন যে ইনকগনিটো মোডে কী কী ব্রাউজার এক্সটেনশন এবং ফিচার ইনেবল করে রেখেছেন। যদি প্রাইভেসি নিয়ে অনেক বেশি চিন্তিত হন, তাহলে অপ্রয়োজনীয় সব ফিচার এবং এক্সটেনশন ইনকগনিটো মোডে ডিস-এবল করে রাখতে পারেন।
Nail Cutting Superstition: সূর্যাস্তের পর নখ কাটতে বারণ করা হয় কেন ? এটা কি কুসংস্কার না অন্য কিছু ?
afflict Cutting Superstitions: আমরা বোধহয় অনেকেই জানি না যে সূর্য অস্ত যাওয়ার পর নখ কাটতে বারণ করা হয় কেন? এর নেপথ্যে আদৌ কোনও যুক্তি রয়েছে কি ?
সমাজে এমন অগণিত কুসংস্কার (Strange notion) রয়েছে যা আমাদের বেশ কিছু কাজ করতে বা না করতে বাধ্য করে। এর মধ্যে অন্যতম হল সূর্যাস্তের পরে নখ না কাটা। আমরা বোধহয় অনেকেই জানি না যে সূর্য অস্ত যাওয়ার পর নখ কাটতে বারণ করা হয় কেন? এর নেপথ্যে আদৌ কোনও যুক্তি রয়েছে কি (Nail Cutting Superstition)? বেশিরভাগ ভারতীয় পরিবারে এবং বিশ্বের অন্যান্য বেশ কয়েকটি প্রাচীন দেশে এই সংস্কার চালু রয়েছে। এই ধরনের পুরনো কিছু অভ্যাস আমাদের অনেকের কাছে উদ্ভট বা অযৌক্তিক মনে হতে পারে। অনেক মানুষই এগুলিকে নিছক কল্পনা বলে উড়িয়ে দেন। আবার অনেকে এ ধরণের প্রাচীন বিশ্বাসকে অনুসরণ করেন এবং কঠোরভাবে সেই নিয়ম মেনে চলেন। কিন্তু তার কারণ কী
সূর্যাস্তের পর নখ কাটতে নিষেধ করার মূল কারণ কিন্তু হল নেহাতই শারীরিক সুরক্ষা, এর সঙ্গে দুর্ভাগ্যের কোনও সম্পর্ক নেই। আগেরকার দিনের মানুষ ঘরে আলো সরবরাহ করতে সাধারণত লণ্ঠন বা তেলের বাতি ব্যবহার করত। অতএব, দিনের স্বাভাবিক আলো ছাড়া রাতে সে ভাবে কোনও সূক্ষ্ম কাজ করার অভ্যাস ছিল না। ফলে রাতের নিভু-নিভু আলোতে নখ কাটতে গেলে যে কোনও সময় হাত-পায়ের আঙুল কেটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকত। এখানেই শেষ নয়। সে সময় নখ কাটার জন্য নানা ধরনের হাতিয়ার, যেমন ধারালো কাটারি বা ছুরি ইত্যাদি ব্যবহার করা হত, এগুলো অন্ধকারে সঙ্গত কারণেই আঘাতের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়। দিনের আলোতে এগুলো ব্যবহার করা যতটা সহজ ছিল, রাতে হয়ে দাঁড়াত ততটাই বিপদজনক।
তা ছাড়া যে নখগুলো ত্বকের বাইরে বিস্তৃত থাকে, সেগুলো সাধারণত আমাদের মৃত কোষ। সুতরাং, আলোর অভাবে, হাতের আঙুল এবং পায়ের আঙুল থেকে কাটা এই অস্বাস্থ্যকর মৃত ত্বকের কোষগুলো খাবারে গিয়ে পড়লে দেখা যাবে না, কাপড়ে আটকে থাকতে পারে এবং শারীরিক অসুস্থতার কারণ হয়ে উঠতে পারে।
তাই প্রবীণরা সূর্য অস্ত যাওয়ার পর নখ কাটতে বারণ করেন। এর সঙ্গে কুসংস্কারের কোনও যোগাযোগ নেই। কিন্তু সঠিক কারণ না জেনে দীর্ঘদিন ধরে এই নিয়ম মেনে চলার জন্য আজ তা কুসংস্কারে পরিণত হয়েছে।
৬ এপ্রিল, ২০২২
Skin health management Tips: কাঁচের মতো উজ্জ্বল ত্বকের জন্য এই 'স্কিন কেয়ার রুটিন' অনুসরণ করুন
চমকপ্রদ মুখ সকলের কামনা কিন্তু এই গ্রীষ্মের মরসুমে এই চাহিদা পূরণ করা দুষ্কর হয়ে পরে গরম, রোদ ও ধুলোর জন্যে। এইসব কারণে ঘাম উৎপন্ন হয়, তার সাথে আঠালো ভাবের জন্যে মুখের উজ্জ্বলতা কমে গিয়ে নিস্তেজ দেখায়।
আমরা এই বিষয়ে সৌন্দর্য বিশেষজ্ঞ সাথে কথা বলে জেনেছি কীভাবে সহজেই কাচের মতন উজ্জ্বল ত্বক পেতে পারি আমরা। তারা বলেন, "ঋতু যাই হোক না কেন, ত্বক পরিষ্কার রাখা খুবই জরুরি। ত্বক গভীরভাবে পরিষ্কার করা হলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আয়নার মতো ঝকঝকে হবে। আমাদের এর জন্যে যা করতে হবে জেনে নিন: ১) স্ক্রাব করুন: আপনি যদি কাঁচের মতো উজ্জ্বল ত্বক চান, তাহলে প্রথমে আপনাকে আপনার ত্বককে ভালোভাবে এক্সফোলিয়েট করতে হবে। এর জন্য রান্নাঘরে উপস্থিত উপাদান দিয়ে ঘরেই তৈরি করতে পারেন স্ক্রাব-
উপাদান- ১ চা চামচ দই ১ চা চামচ পোস্ত পদ্ধতি:- দইয়ে পোস্ত মিশিয়ে নিন।এবার এই মিশ্রণটি দিয়ে হালকা হাতে মুখ ঘষে নিন। ২ মিনিট মুখে স্ক্রাব করার পর জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।এতে করে ত্বকের ছিদ্রে লুকিয়ে থাকা ময়লা দূর করা সহজ হবে। ও মুখের ওপর ময়লার স্তর সোরে যাবে। ২) মুখে গরম জলের বাষ্প নিন: স্ক্রাব করার পর ফেসিয়াল স্টিম নিন। আপনি আপনার ত্বকের ধরন অনুযায়ী বাড়িতে ফেসিয়াল স্টিম নিতে পারেন। আপনার যদি স্বাভাবিক ত্বক থাকে, তাহলে আপনি কেবল একটি ভিটামিন-ই ক্যাপসুল জলের সাথে মিলিয়ে লাগাতে পারেন বা জলে তার তেল মিশিয়ে দিতে পারেন এবং তারপর সেই জল থেকে বাষ্প নিতে পারেন। ত্বকের জন্য ভিটামিন-ই তেলের উপকারিতা একটি নয়, অনেকগুলি, এই সুবিধাগুলির মধ্যে একটি হল এটি ত্বকে উজ্জ্বলতা আনে। ৩) ব্ল্যাকহেডস এবং হোয়াইটহেডস দূর করুন: ত্বক স্ক্রাব করার পর এবং ফেসিয়াল স্টিম নেওয়ার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ব্ল্যাকহেডস এবং হোয়াইটহেডস দূর করা। যদিও, এই প্রক্রিয়াটি কিছুটা কষ্টদায়ক, তবে আপনি যদি সঠিক পদ্ধতিতে এগুলি অপসারণ করেন তবে খুব বেশি ঝামেলা হয় না। আপনি বাজারে সহজেই এই চুচের মতন দেখতে ক্লিনজার পিন খুঁজে পাবেন, তবে আপনি সহজেই চুলের ক্লিফের পিছনের দিক দিয়ে ব্ল্যাকহেডস এবং হোয়াইটহেডস দূর করতে পারেন। আপনি ব্ল্যাকহেডস এবং হোয়াইটহেডস দূর করতে আরো একটি পদ্ধতি ব্যাবহার করতে পারেন। আপনি একটি তোয়ালে ব্যবহার করতে পারেন। এর জন্য আপনার নাকে, চিবুক এবং যেখানেই ব্ল্যাকহেডস এবং হোয়াইটহেডস দেখা যায় সেখানে আলতোভাবে তোয়ালে ঘষুন, এতে করে ব্ল্যাকহেডস এবং হোয়াইটহেডস অনেকাংশে দূর হয়ে যায়। শুধু খেয়াল রাখবেন তোয়ালে ঘষায় যেন আপনার ত্বকের রাশেস না হয়ে যায়।
৪) ফেস প্যাক লাগান: ব্ল্যাকহেডস ও হোয়াইটহেডস দূর করার পর মুখে ফেসপ্যাক লাগাতে হবে। আয়নার মতো উজ্জ্বল ত্বক পেতে রান্নাঘরে উপস্থিত উপাদান দিয়ে একটি ফেসপ্যাক তৈরি করতে পারেন- উপাদান: ১ চা চামচ আটা ১ টেবিল চামচ লেবুর রস ১ চা চামচ চন্দন বাটা ১ চা চামচ দুধ
পদ্ধতি: প্রথমে একটি পাত্রে আটা, লেবুর রস, চন্দন বাটা এবং দুধ মিশিয়ে নিন। এবার এই মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে দিন। এরপর এই ফেসপ্যাকটি মুখ থেকে ঘষে ঘষে তুলে ফেলুন। এই ফেসপ্যাকটি লাগানোর পর আপনার ত্বকের মরা চামড়ার স্তর যেমন ভালোভাবে পরিষ্কার হবে, তেমনি মুখে তাৎক্ষণিক উজ্জ্বলতাও আসবে।
৫) মুখ ময়েশ্চারাইজ করুন: এখন শেষ ধাপ হিসেবে আপনাকে মুখ ময়েশ্চারাইজ করতে হবে। এর জন্য তাজা অ্যালোভেরা জেলে গোলাপ জল মিশিয়ে মুখে ভালো করে ময়েশ্চারাইজ করুন। এই সব করার পরে, আপনি আপনার ত্বক আগের চেয়ে আরও উজ্জ্বল হবে। আপনি যদি ভাল ফলাফল দেখতে পান তবে আপনি প্রতি সপ্তাহে এই বিউটি রুটিনটি পুনরাবৃত্তি করতে পারেন। কিন্তু আপনার ত্বক যদি সংবেদনশীল হয়, তাহলে প্রথমে একজন ভালো ত্বক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন এবং শুধুমাত্র তার পরামর্শেই এই পদ্ধতিটি অনুসরণ করুন।
৫ এপ্রিল, ২০২২
১ মণ পেঁয়াজ বা রসুনের দামে ১টি তরমুজ
এখন চলছে মসলা জাতীয় এই দুই ফসল উত্তোলন ও কেনা-বেচার ভরা মৌসুম। তবে চাষীসহ ক্রেতা-বিক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের কপালে ভাজ পড়েছে পেঁয়াজ-রসুনের দাম নিয়ে। বাজারে উঠেছে মৌসুমী ফল তরমুজ, তবে একটা বড় সাইজের তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকা দরে।
অন্যদিকে বাজারে এক মণ পেঁয়াজ-রসুনও বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৫০০ টাকা মণ দরে। প্রকারভেদে অবশ্য পেঁয়াজ ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা মণ দরেও বিক্রি হচ্ছে তবে রসুন বিক্রি হচ্ছে আরো কম দামে। ২০০ থেকে ৩০০ টাকা মণ আবার সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে কোনো কোনো হাটে রসুনের দামই পাচ্ছে না চাষী এবং ব্যবসায়ীরা, সেক্ষেত্রে ফেলে দেয়ার ঘটনাও ঘটছে।
দেশের অন্যতম পেঁয়াজ উৎপাদনকারী এলাকা হিসাবে খ্যাত ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা। শৈলকুপা উপজেলার লাঙ্গলবাধ, হাটফাজিলপুর, শিতালী, নাগিরহাট, রেয়ড়া, গাড়াগঞ্জ, খুলুমবাড়িয়া, কাতলাগাড়ী, কচুয়া, শেখপাড়া, ভাটই, শেখড়া বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে এমন দৃশ্য দেখা গেছে । গত বছর শৈলকুপায় পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হলেও এবার প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে ফলন এমনিতে কম হয়েছে। প্রতি মণ পেঁয়াজ গত মৌসুমে ১৪০০ থেকে ১৫০০ টাকা দরে বিক্রি হলেও এ বছর বাজারে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতি বিঘা জমি থেকে কৃষকেরা গত মৌসুমে কমপক্ষে ১০০ মণ করে পেঁয়াজ ঘরে তুললেও এবার বিঘা প্রতি ৪০ থেকে ৫০ মণ করে পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে। মাঠ থেকে পেঁয়াজ বাড়িতে এনে কাটা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করাসহ বাজারজাত ও ঘরে রাখা নিয়ে কৃষকদের দুঃশ্চিন্তার অন্ত নেই।
শৈলকুপা সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, ঝিনাইদহের ছয়টি উপজেলার ভেতরে শৈলকুপা উপজেলায় সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ চাষ হয়। এই উপজেলার মাঠের পর মাঠ শুধুই পেঁয়াজ। জেলার ১০ হাজার হেক্টর জমির পেঁয়াজের মধ্যে এখানেই এবার চাষ হয়েছে ৮ হাজার ৪০৫ হেক্টর জমিতে। দেশের পেঁয়াজের চাহিদার বড় একটি অংশের যোগান হয় শৈলকুপা থেকে। শৈলকুপাতে সাপ্তাহিক শনি ও মঙ্গলবার দুটি হাট বসে পেঁয়াজের। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকার ও ব্যাপারীরা একদিন আগেই চলে আসে শৈলকুপাতে, তারা ট্রাক ভর্তি করে পেঁয়াজ নিয়ে যায় ঢাকার কারওয়ান বাজার, ভৈরব, সিলেট, চট্রগাম, খুলনা, বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। শৈলকুপা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের মাঠ ঘুরে দেখা গেছে পেঁয়াজের ছড়াছড়ি। পাইকপাড় গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে পেঁয়াজ, ক্ষেতেও রয়েছে। কৃষকেরা বাড়িতে এনে স্তুপ করে রাখছেন বিক্রির আশায়। তবে পেঁয়াজ সংরক্ষণের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় বেশিরভাগ পেঁয়াজ তুলেই বিক্রি করতে বাধ্য হন উপজেলার কৃষকেরা।
এদিকে শৈলকুপা কৃষি অফিস জানিয়েছে, উপজেলায় চাষযোগ্য মোট জমি আছে ২৮ হাজার ৫০০ হেক্টর। তারমধ্যে এ বছর পেঁয়াজের চাষ হয়েছে ৮ হাজার ৪০৫ হেক্টর জমিতে। এরমধ্যে শুধু পাইকপাড়া গ্রামে চাষ হয়েছে ৩৫০ হেক্টর জমিতে। এ বছর বারি-১, লাল তীর, লাল তীর কিংসহ বেশ কয়েকটি জাতের পেঁয়াজ বেশি চাষ হচ্ছে।
বিজুলিয়া গ্রামের কৃষক মিজানুর রহমানের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির বাইরে নারীরা পেঁয়াজ থেকে গাছ কেটে আলাদা করছেন। বাড়ির মধ্যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে পেঁয়াজ। ঘর-বারান্দা কোথাও একটু খালি জায়গা নেই। তিনি জানান, এ বছর বেশ কয়েক বিঘা জমিতে পেঁয়াজের চাষ করেছেন। এসব জমিতে হাইব্রিড লাল তীর কিং জাত রয়েছে। তবে ফলন ভাল হয়নি আর বিক্রিও করতে হচ্ছে পানির দরে । মনোহরপুর গ্রামের কৃষক লিটন, তাহেরসহ কয়েকজন জানান, প্রতি বিঘা জমিতে পেঁয়াজের বীজ থেকে শুরু করে তোলা পর্যন্ত সব মিলিয়ে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। তবে ফলন কম হওয়ায় এবার একবিঘায় (৪০ শতাংশ) ৪০ থেকে ৫০ মণ করে পেঁয়াজ পাচ্ছেন। যা বর্তমান বাজার প্রতি মণ ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। এতে সার-ওষুধ আর কৃষি শ্রমিকের বিল পরিশোধ করাই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। শৈলকুপার চর সোন্দাহ গ্রামের কৃষক আমিরুল ইসলাম জানান, তিনিও তার জমিতে এবার পেঁয়াজ চাষ করেছেন। ক্ষেত থেকে ৫০০ মণের বেশি পেঁয়াজ পাবেন বলে আশা করছেন। তিনি বলেন, সরকারিভাবে এ উপজেলায় পেঁয়াজ সংরক্ষণের কোনো ব্যবস্থা নেই। যে কারণে কৃষকেরা পেঁয়াজ সংরক্ষণ করতে পারেন না। তাই সঠিক মূল্য থেকে বঞ্চিত হন।
শৈলকুপার পেঁয়াজ ব্যাবসায়ী রেজাউল বিশ্বাস জানান, দেশের চাহিদার বড় একটি অংশের যোগান শৈলকুপা থেকে হয়ে থাকে। লাঙ্গলবাধ বাজারের পেঁয়াজ ব্যাবসায়ী রাম কুন্ডু জানান, রবি ও বৃহস্পতিবার বাজারে ১০ থেকে ১২ হাজার মন পেঁয়াজ বিত্রি হয়ে থাকে। তা কিনে দেশের বিভিন্ন জায়গায় রফতানি করে থাকি। উপজেলার পাইকপাড়া ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা কোরবান আলী জানান, এ ব্লকে ৪০০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে। এখানে ১৫৬০টি কৃষি পরিবার রয়েছে। কম-বেশি প্রায় সব পরিবারের জমিতে রয়েছে পেঁয়াজ। চাষটি ক্রমেই বাড়ছে বলে তিনি জানান।
পেঁয়াজের এমন দূরাবস্থার পাশাপাশি আরেক মসলা জাতীয় ফসল রসুন নিয়েও বিপাকে পড়েছে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। বাজারে এখন চায়না থেকে আমদানি করা চায়না রসুনের ছড়াছড়ি। এই রসুন মনপ্রতি ১৫ থেকে ১৬ শ' টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে দেশীয় পুরাতন রসুন যেন গলার কাটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোনো কোনো বাজারে পুরাতন রসুন ২০০ থেকে ৩০০ টাকা মন দরে আবার কোথাও ফেলে দেবার ঘটনাও ঘটছে।
শৈলকুপা বাজারের পেঁয়াজ-রসুন ব্যবসায়ী মশিউর রহমান, শরিফুল ইসলাম বলেন, রসুন-পেঁয়াজের দাম নেই, অবিক্রিত থেকে যাচ্ছে এসব ফসল। শৈলকুপা উপজেলা বণিক সমিতির সভাপতি আব্দুস সোবহান জানান, এক মণ রসুন বিক্রি করে সেই টাকায় একটি তরমুজও কেনা যাচ্ছে না। বাজারে অনেক ব্যবসায়ী রসুন ফেলে দিচ্ছেন। তিনি দাবি জানান দ্রুত রসুন ও পেঁয়াজের এলসি (আমদানি) বন্ধ করতে হবে।
Zoom Bangla news Home » ১ মণ পেঁয়াজ বা রসুনের দামে ১টি তরমুজ ১ মণ পেঁয়াজ বা রসুনের দামে ১টি তরমুজ 11 seconds prior বিজ্ঞাপন জুমবাংলা ডেস্ক : ঝিনাইদহের শৈলকুপায় ধ্স নেমেছে পেঁয়াজ-রসুনের বাজারে। এখন চলছে মসলা জাতীয় এই দুই ফসল উত্তোলন ও কেনা-বেচার ভরা মৌসুম। তবে চাষীসহ ক্রেতা-বিক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের কপালে ভাজ পড়েছে পেঁয়াজ-রসুনের দাম নিয়ে। বাজারে উঠেছে মৌসুমী ফল তরমুজ, তবে একটা বড় সাইজের তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকা দরে। পেঁয়াজ বা রসুনের দামে তরমুজ .. অন্যদিকে বাজারে এক মণ পেঁয়াজ-রসুনও বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৫০০ টাকা মণ দরে। প্রকারভেদে অবশ্য পেঁয়াজ ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা মণ দরেও বিক্রি হচ্ছে তবে রসুন বিক্রি হচ্ছে আরো কম দামে। ২০০ থেকে ৩০০ টাকা মণ আবার সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে কোনো কোনো হাটে রসুনের দামই পাচ্ছে না চাষী এবং ব্যবসায়ীরা, সেক্ষেত্রে ফেলে দেয়ার ঘটনাও ঘটছে। দেশের অন্যতম পেঁয়াজ উৎপাদনকারী এলাকা হিসাবে খ্যাত ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা। শৈলকুপা উপজেলার লাঙ্গলবাধ, হাটফাজিলপুর, শিতালী, নাগিরহাট, রেয়ড়া, গাড়াগঞ্জ, খুলুমবাড়িয়া, কাতলাগাড়ী, কচুয়া, শেখপাড়া, ভাটই, শেখড়া বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে এমন দৃশ্য দেখা গেছে । গত বছর শৈলকুপায় পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হলেও এবার প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে ফলন এমনিতে কম হয়েছে। প্রতি মণ পেঁয়াজ গত মৌসুমে ১৪০০ থেকে ১৫০০ টাকা দরে বিক্রি হলেও এ বছর বাজারে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতি বিঘা জমি থেকে কৃষকেরা গত মৌসুমে কমপক্ষে ১০০ মণ করে পেঁয়াজ ঘরে তুললেও এবার বিঘা প্রতি ৪০ থেকে ৫০ মণ করে পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে। মাঠ থেকে পেঁয়াজ বাড়িতে এনে কাটা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করাসহ বাজারজাত ও ঘরে রাখা নিয়ে কৃষকদের দুঃশ্চিন্তার অন্ত নেই। বিজ্ঞাপন .. শৈলকুপা সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, ঝিনাইদহের ছয়টি উপজেলার ভেতরে শৈলকুপা উপজেলায় সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ চাষ হয়। এই উপজেলার মাঠের পর মাঠ শুধুই পেঁয়াজ। জেলার ১০ হাজার হেক্টর জমির পেঁয়াজের মধ্যে এখানেই এবার চাষ হয়েছে ৮ হাজার ৪০৫ হেক্টর জমিতে। দেশের পেঁয়াজের চাহিদার বড় একটি অংশের যোগান হয় শৈলকুপা থেকে। শৈলকুপাতে সাপ্তাহিক শনি ও মঙ্গলবার দুটি হাট বসে পেঁয়াজের। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকার ও ব্যাপারীরা একদিন আগেই চলে আসে শৈলকুপাতে, তারা ট্রাক ভর্তি করে পেঁয়াজ নিয়ে যায় ঢাকার কারওয়ান বাজার, ভৈরব, সিলেট, চট্রগাম, খুলনা, বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। শৈলকুপা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের মাঠ ঘুরে দেখা গেছে পেঁয়াজের ছড়াছড়ি। পাইকপাড় গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে পেঁয়াজ, ক্ষেতেও রয়েছে। কৃষকেরা বাড়িতে এনে স্তুপ করে রাখছেন বিক্রির আশায়। তবে পেঁয়াজ সংরক্ষণের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় বেশিরভাগ পেঁয়াজ তুলেই বিক্রি করতে বাধ্য হন উপজেলার কৃষকেরা। বিজ্ঞাপন এদিকে শৈলকুপা কৃষি অফিস জানিয়েছে, উপজেলায় চাষযোগ্য মোট জমি আছে ২৮ হাজার ৫০০ হেক্টর। তারমধ্যে এ বছর পেঁয়াজের চাষ হয়েছে ৮ হাজার ৪০৫ হেক্টর জমিতে। এরমধ্যে শুধু পাইকপাড়া গ্রামে চাষ হয়েছে ৩৫০ হেক্টর জমিতে। এ বছর বারি-১, লাল তীর, লাল তীর কিংসহ বেশ কয়েকটি জাতের পেঁয়াজ বেশি চাষ হচ্ছে। বিজ্ঞাপন বিজুলিয়া গ্রামের কৃষক মিজানুর রহমানের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির বাইরে নারীরা পেঁয়াজ থেকে গাছ কেটে আলাদা করছেন। বাড়ির মধ্যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে পেঁয়াজ। ঘর-বারান্দা কোথাও একটু খালি জায়গা নেই। তিনি জানান, এ বছর বেশ কয়েক বিঘা জমিতে পেঁয়াজের চাষ করেছেন। এসব জমিতে হাইব্রিড লাল তীর কিং জাত রয়েছে। তবে ফলন ভাল হয়নি আর বিক্রিও করতে হচ্ছে পানির দরে । মনোহরপুর গ্রামের কৃষক লিটন, তাহেরসহ কয়েকজন জানান, প্রতি বিঘা জমিতে পেঁয়াজের বীজ থেকে শুরু করে তোলা পর্যন্ত সব মিলিয়ে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। তবে ফলন কম হওয়ায় এবার একবিঘায় (৪০ শতাংশ) ৪০ থেকে ৫০ মণ করে পেঁয়াজ পাচ্ছেন। যা বর্তমান বাজার প্রতি মণ ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। এতে সার-ওষুধ আর কৃষি শ্রমিকের বিল পরিশোধ করাই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। শৈলকুপার চর সোন্দাহ গ্রামের কৃষক আমিরুল ইসলাম জানান, তিনিও তার জমিতে এবার পেঁয়াজ চাষ করেছেন। ক্ষেত থেকে ৫০০ মণের বেশি পেঁয়াজ পাবেন বলে আশা করছেন। তিনি বলেন, সরকারিভাবে এ উপজেলায় পেঁয়াজ সংরক্ষণের কোনো ব্যবস্থা নেই। যে কারণে কৃষকেরা পেঁয়াজ সংরক্ষণ করতে পারেন না। তাই সঠিক মূল্য থেকে বঞ্চিত হন। শৈলকুপার পেঁয়াজ ব্যাবসায়ী রেজাউল বিশ্বাস জানান, দেশের চাহিদার বড় একটি অংশের যোগান শৈলকুপা থেকে হয়ে থাকে। লাঙ্গলবাধ বাজারের পেঁয়াজ ব্যাবসায়ী রাম কুন্ডু জানান, রবি ও বৃহস্পতিবার বাজ�
৪ এপ্রিল, ২০২২
সতর্কবার্তা ছাড়াই হাজারো ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ
হঠাৎ করেই বন্ধ হয়ে গেছে অনেকের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট। বিভিন্ন দেশে থাকা ফেসবুক ব্যবহারকারীদের অভিযোগ, কোনো সতর্কবার্তা ছাড়াই অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিয়েছে ফেসবুক। শুধু তাই নয়, কী কারণে বা কোন অভিযোগে অ্যাকাউন্টগুলো বন্ধ করা হয়েছে তা-ও জানায়নি ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। খবর বিবিসি'র।
অ্যাকাউন্ট বন্ধ হওয়া এক ব্যবহারকারী জানিয়েছেন, তিনি ফেসবুকের কাছ থেকে কোনো সতর্কবার্তা পাননি।
বন্ধ করা অ্যাকাউন্টগুলোয় প্রবেশের চেষ্টা করলেই পর্দায় দেখা যায় একটি বার্তা। ফেসবুকের পাঠানো বার্তায় লেখা রয়েছে, 'আমাদের কমিউনিটি মান অনুসরণ না করায় আপনার অ্যাকাউন্টটি নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।' অনেকে আবার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে পারলেও কোনো তথ্য বা ছবি পোস্ট করতে পারছেন না। এমনকি বন্ধুদের দেওয়া পোস্টে মন্তব্যও করতে পারছেন না।
এক টুইট বার্তায় ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটার যোগাযোগ পরিচালক অ্যান্ডি স্টোন জানান, বিষয়টি জানতে পেরে অ্যাকাউন্ট বন্ধ হওয়ার কারণ অনুসন্ধান শুরু করেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। তবে বিশ্বজুড়ে কতজন ব্যবহারকারী এ সমস্যায় পড়েছেন, সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানাননি তিনি।
সাধারণত ফেসবুকের নীতিমালা ভেঙে বার্তা, ছবি, ভিডিও বা মন্তব্য পোস্ট করলে ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
৩০ মার্চ, ২০২২
যেভাবে লেবু ব্যবহার করলে ত্বক উজ্জ্বল হবে
উজ্জ্বল ও মসৃণ ত্বকের জন্য লেবুর একটি প্যাক বানিয়ে সারারাত লাগিয়ে রাখুন ত্বকে। পরদিন ধুয়ে ফেলুন ঠান্ডা পানি দিয়ে।
লেবু কেন ব্যবহার করবেন? লেবুতে থাকা অ্যাসিডিক উপাদান ত্বকের কালচে দাগ দূর করতে সক্ষম। প্রাকৃতিক ক্লিনজার হিসেবে ত্বক পরিষ্কার রাখে লেবু। ধরে ধীরে ব্রণের দাগ মিলিয়ে দিতে সাহায্য করে লেবু। লেবুতে থাকা ভিটামিন সি ত্বক রাখে উজ্জ্বল। যেভাবে তৈরি করবেন প্যাক ঃঃ ২ টেবিল চামচ লেবুর রস ও ২ টেবিল চামচ আমন্ড অয়েল একসঙ্গে মিশিয়ে ত্বকে লাগান। চোখের নিচে ও গলার ত্বকেও লাগাবেন। টিস্যু দিয়ে চেপে বাড়তি অংশ দূর করুন ত্বক থেকে। সারারাত রেখে পরদিন সকালে ধুয়ে ফেলুন।
ঘরে রাখা এই দুটি জিনিস ব্যাবহার করুন, মুখ করবে উজ্জ্বল
মুখের উজ্জ্বলতা বাড়াতে আপনি বাড়িতে ব্যবহৃত এই দুটি খুব সস্তা জিনিস ব্যবহার করতে পারেন। আজ আমরা আপনাকে এমন একটি ঘরোয়া প্রতিকার বলতে যাচ্ছি, যার মাধ্যমে আপনি আপনার মুখ পরিষ্কার এবং হাইড্রেটেড রাখতে পারেন। এটাকে আপনি 'হোম ফেসিয়াল'ও বলতে পারেন। এই হোম ফেসিয়ালের দাম পড়বে দশ টাকারও কম।
আপনি হয়তো জানেন কফি এবং দুধ আমাদের মুখের জন্য কতটা উপকারী। আপনি ঘরে বসেই কীভাবে তৈরি করতে পারেন 'হোম ফেসিয়াল' প্যাক জেনে নিন:- একটি 'হোম ফেসিয়াল প্যাক' তৈরি করতে আপনার লাগবে এক চা চামচ কফি পাউডার, আধা চা চামচ কাঁচা দুধ। 'হোম ফেসিয়াল প্যাক' তৈরি করতে প্রথমে কাঁচা দুধের সঙ্গে কফি পাউডার মিশিয়ে নিন। এটিকে ভালো করে মিশিয়ে নিন এবং এখন আপনার 'হোম ফেসিয়াল প্যাক' প্রস্তুত। হালকা হাতে পরিষ্কার মুখে এই 'হোম ফেসিয়াল প্যাক' লাগান। দুই মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন, তারপর পরিষ্কার জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। কফি ফেস মাস্কও খুব উপকারী। 'হোম ফেসিয়াল প্যাক' ছাড়াও কফি ফেস মাস্ক তৈরি করতে পারেন। এই মাস্কটি আপনার ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে। আসুন জেনে নিই কিভাবে ঘরে বসে কফি ফেস মাস্ক তৈরি করবেন:
কফি ফেস মাস্ক তৈরি করতে আপনার লাগবে এক চা চামচ কফি পাউডার, আধা চা চামচ হলুদের গুঁড়া এবং দুই টেবিল চামচ দই। একটি পাত্রে এই তিনটি জিনিস ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। মিহি পেস্ট তৈরি করার পর মুখে লাগান। মুখে মাস্ক লাগানোর পর ১০ মিনিট রেখে দিন। এরপর পরিষ্কার জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই কফি ফেস মাস্কের উপকারিতা কি কি জানুন? এই কফি ফেস মাস্ক আপনার মুখের ব্রণ দূর করে। এটি তৈলাক্ত মুখের জন্যও খুব উপকারী, কারণ এটি মুখের অতিরিক্ত তেল দূর করে। এই কফি ফেস মাস্ক আপনার মুখের আটকে থাকা ছিদ্রগুলি খুলে দেয়, যা মুখের ফোলাভাবও কমিয়ে ব্ল্যাকহেডসের সমস্যার থেকে মুক্তি দেবে আপনাকে।
২৯ মার্চ, ২০২২
ভিভো'র ওয়াই সিরিজে নতুন চমক
নতুন স্মার্টফোন নিয়ে আসছে শীর্ষস্থানীয় গ্লোবাল প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ভিভো। নতুন স্মার্টফোনটির মডেল ভিভো ওয়াই৩৩এস।
রবিবার ভিভো'র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। আগামীকাল থেকে শুরু হতে পারে স্মার্টফোনটির প্রি-বুকিং পর্ব। ভিভো ওয়াই৩৩এস একটি মিডরেঞ্জ স্মার্টফোন হবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। তবে, আধুনিক প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ হবে ভিভো ওয়াই৩৩এস। মেইন ক্যামেরা হিসেবে স্মার্টফোনটিতে থাকবে ৫০ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা। সাথে থাকবে, দুইটি আল্ট্রা ক্লিয়ার ক্যামেরাও।
রিয়ার ক্যামেরায় মিলবে ভিভো'র সিগন্যাচার প্রযুক্তি 'ডুয়াল টোন স্টেপ'; যা স্মার্টফোনটিকে প্রিমিয়াম ও এলিগেন্ট লুক দিয়েছে। ৮ মি.মি এর ট্রেন্ডি স্লিম স্মার্টফোনটিতে রয়েছে ৫০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের বিশাল ব্যাটারি। ব্যাটারি সাপোর্ট বাড়াতে সঙ্গে থাকছে ১৮ ওয়াটের ফাস্ট চার্জ।
এক্সটেন্ডেড র্যাম ২.০ প্রযুক্তির মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তিও মিলবে মিডরেঞ্জের স্মার্টফোন ভিভো ওয়াই৩৩এস-এ। একাধিক অ্যাপে একই সঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে সহায়তা করবে এই বাড়তি র্যাম সুবিধা। বাংলাদেশে ভিভো ওয়াই৩৩এস মিরর ব্ল্যাক এবং স্টারি গোল্ড; এই দুই রঙে পাওয়া যেতে পারে।
See specific vivo y33s
3sBuy at this point Item Color Late morning Dream Body Aspects: 164.26×76.08×8.00mm Weight: 182g Cost RM999 Fundamental
ProcessorHelio G80
RAM8GB
Storage128GB
Battery5000mAh (TYP)
Quick Charging18W
ColorMirror Black/Midday
Dream Working systemFuntouch OS 11.1 Show
Screen6.58-inch Resolution2408×1080 (FHD+) TypeLCD Contact ScreenCapacitive multi-contact Computerized Cameras CameraFront 16MP/Rear 50MP+2MP+2MP ApertureFront f/2.0 (16MP), Rear f/1.8 (50MP) + f/2.4 (2MP)+ f/2.4 (2MP) FlashRear streak Scene ModesNight (front and back), Portrait, Photo, Video, Pano, Live Photo, Slow-Mo, Time-Lapse, Pro, DOC, 50MP Availability Wi-Fi2.4GHz/5GHz BluetoothBluetooth 5.0 USBType-C GPSSupported OTGSupported FMSupported Network SIM Slot Type2 nano SIMs + 1 miniature SD Backup ModeDual SIM and Dual Standby (DSDS) 2G GSMB2/3/5/8 3G WCDMAB1/5/8 4G FDD-LTEB1/3/5/7/8/20 4G TDD-LTEB38/39/40/41(120M) Sensors FingerprintSupported AccelerometerSupported Encompassing light sensorSupported Closeness SensorSupported E-compassSupported GyroscopeSupported Media Sound PlaybackWAV, MP3, MP2, MIDI, Vorbis, APE, FLAC Video PlaybackMP4 、3GP、AVI、MKV、FLV Video recordingMP4 Voice RecordingSupported Area GPS, BEIDOU, GLONASS, GALILEO In the crate Y33s Headset Documentation USB Cable Charger Card Eject Tool Telephone Case Defensive Film (applied)
মোটা ছেলেরাই মেয়েদের পছন্দের শীর্ষে : গবেষণা
ফিট আর স্লিম থাকাটা এখনকার প্রতিটি ছেলের স্বপ্ন। আর তাই ছেলেরা সব দল বেঁধে জিমে যাচ্ছে। তাদের উল্লেখযোগ্যই ভুড়ি ওয়ালা। তবে সেইসব ভুড়ি ওয়ালা ছেলেদের জন্য সুখবর নিয়ে আসলো ফাদারলি ডট কম'র এক গবেষণা। এখন মেয়েরা না-কি ভুড়িওয়ালা ছেলেই বেশি পছন্দ করে। এমনটাই বলছে গবেষণাটি।
গবেষণায় বলা বলছে, সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে ভুড়িওয়ালা ছেলেদেরই বেশি বিশ্বাসযোগ্য মনে করে বেশিরভাগ মেয়ে। তারা হালকা গোলগাল ও সাধারণ চেহারার মধ্যে নিরাপত্তা খুঁজে পায়। গবেষকরা মনে করেন, বেশি সুঠাম দেহের সঙ্গীকে নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভোগে মেয়েরা।
সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে পুরুষ সঙ্গী যদি নিয়ম মেনে চলে, সেক্ষেত্রে তার প্রভাব পড়ে সম্পর্কে। গবেষণার জন্য একটি সমীক্ষা চালানো হয়। সেই সমীক্ষায় অংশ নেওয়া মেয়েরা দাবি করে, এটা খাব না, সেটা খাব না, মোটা হয়ে যাব বলা পুরুষের চেয়ে অল্প মোটা পুরুষই ভালো।
বিজ্ঞানীরা মনে করেন, অল্প স্থূল পুরুষদের কাজের প্রতি বেশি মনযোগী বলে মনে করেন নারীরা। তারা পরিবারকেও বেশি সময় দেন বলে মনে করা হয়। সেক্ষেত্রে সামাজিকভাবে মোটা ছেলেদের বেশি নিরাপদ মনে করে মেয়েরা। এ ছাড়া বডি ইমেজ নিয়ে চিন্তিত মেয়েরা একটু ভুড়িওয়ালা ছেলেই পছন্দ করে।
গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, মোটা ছেলেরা বেশি মজার হয়। তারা নিজেও যেমন হাসে তেমনি অন্যকেও হাসি আনন্দের মাঝে রাখতে পারে। আর হাসি খুশি থাকতে কারা না ভালোবাসা। এজন্যই মোটা ছেলেদেরকে মেয়েরা বেশি পছন্দ করে।
২৮ মার্চ, ২০২২
ফেসবুকে বন্ধুত্বের ক্ষেত্রে বিষয়গুলো অবশ্যই লক্ষ্য রাখবেন
বন্ধুত্বের কোনো বয়স অথবা সীমানা নেই। আর ইন্টারনেটের যুগে বন্ধুত্বের দ্বার খুলে গেছে বিশ্বব্যাপী। ছেলে-বুড়ো, ছাত্র থেকে অফিসের কর্তা সবারই ফেসবুক আইডি রয়েছে। আমরা ফেসবুকের মাধ্যমে যোগাযোগ রক্ষা করছি চেনা-অচেনা বন্ধুর সঙ্গে।
আমরা পুরোনো বন্ধু ফেসবুকের মাধ্যমে খুঁজে পাই, আর অনেকের সঙ্গে নতুন বন্ধুত্বও গড়ে ওঠে। পুরোনো বা নতুন কোনো বন্ধুত্বই যেন বন্ধুত্বের গণ্ডি ছাড়িয়ে না যায়। এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
যে বিষয়গুলো অবশ্যই লক্ষ্য রাখবেন-
কারও সঙ্গে ফেসবুকে বন্ধুত্ব হলেই তার সঙ্গে ব্যক্তিগত কোনো ছবি শেয়ার করা যাবে না। কোনো প্রলোভনে ( বিয়ে বা প্রেমের) কোনোভাবেই বিয়ের আগে শারিরিক সম্পর্কে জড়ানো ঠিক নয়।
আর যদি নিজের ইচ্ছায় কোনো অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে যান তবে সে দায় শুধুমাত্র কোনো একজনের নয়। অন্যকে হেয় করতে অথবা নিজের কোনো উদ্দেশ্য সফল করতে সেই সম্পর্ককে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা ঠিক নয়।
আমরা যখন ফেসবুকে অ্যাকাউন্ট খুলি সম্পর্কের জায়গায় অনেকেই সিঙেল লিখেন, বাস্তবে দেখা যায় সে বিবাহিত। কোনো ভুল তথ্য দেওয়া কিন্তু প্রতারণা। আপনি যদি বিবাহিত হন, সঠিক তথ্য দিন ও সঙ্গীকে বন্ধুর তালিকায় রাখুন। ফেসবুকে সঙ্গীসহ ছবি দিন,
অনাকাঙ্ক্ষিত অনেক ঝামেলা থেকে মুক্ত থাকবেন। সবার আগে কিন্তু পরিবার। তাই আমাদের দাম্পত্য জীবনে সমস্যা তৈরি হয় এমন কাউকে ফেসবুকের বন্ধু তালিকায় না রাখাই ভালো। বন্ধুত্বের দুয়ার খোলা। নিজে নিরাপদে থেকে সবার সঙ্গে সুস্থ বন্ধুত্ব রক্ষা করুন।
স্টিভ জবসের কস্টের জীবন
সর্বকালের সেরা উদ্যোক্তাদের মধ্যে তিনি হলেন একজন। শুধু একটি কথা মনে রেখো আমি খুব তাড়াতাড়ি মরে যাবো এই কথাটি জীবনের সব থেকে বড় সিদ্ধান্ত গুলো নিতে সাহায্য করবে। কারন যখন আমি মৃত্যুর কথা ভেবে থাকি তখন সমস্ত গৌরব অহংকার হারিয়ে যায় শুধু সেটাই থাকে যেটা সত্যি আমার খুব প্রয়োজন। বিখ্যাত বানীটি করেছেন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ অনুপ্রেরণা গল্পের এক দৃষ্টান্ত স্টিভ জবস। যিনি নিজের বুদ্ধি আর অক্লান্ত পরিশ্রম দ্বারা পৃথিবীর সব থেকে প্রভাবশালী কোম্পানি তৈরি করেছেন। তিনি জন্ম গ্রহণ করেছিলেন ফেব্রুয়ারি ২৪-১৯৫৫ সালে ক্যালিফোর্নিয়াতে তার মা ছিলেন একজন অবিবাহিত এবং কলেজ স্টুডেন্ট। তাই তাকে নিজের কাছে রাখতে পারেনি এবং তাকে একটি পরিবারের কাছে দত্তক দেওয়ার কথা ভাবে। পরে পলজবস ও ক্লিরাজবস একটি গরিব পরিবারের কাছে দিয়ে দেয় কিন্তু শর্ত রাখেন স্টিভকে উচ্চ শিক্ষা দিতে হবে এবং তারা সব কিছু মেনে নিয়ে স্টিভকে গ্রহণ করেন। পলজবস ও ক্লিরাজবস এর কাছে বেশি টাকা ছিলো না তাও তারা স্টিভ এর কোন চাওয়া অপূরণ রাখেন নি। জবসের প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয়েছিলো মন্টালমা স্কুল থেকে ১৯৭২ সালে ১৭ বছর বয়সে জবস খুব দামি কলেজে স্ট্যানফোর্ডে ভর্তি হন। পড়া-লেখা করাতে গিয়ে তার বাবা-মার সকল টাকা শেষ হয়ে যায় ৬ মাস পরে স্টিভ এর খুব কষ্ট হয় তার বাবা-মাকে দেখে। হতাস হয়ে তিনি কলেজ ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে এবং তার কাছে থাকার মত কোন বাড়ি ছিল না তাই তিনি তার এক বন্ধুর রুমের মেঝেতে ঘুমাতেন। কোল্ডিংস এর বোতল বিক্রি করে যা টাকা পেতেন সেটা দিয়ে খাবার খেতেন প্রতি রবিবারে ১১ কিলোমিটার রাস্তা হেঁটে একটা গির্জায় যেতেন ভালো খাবার খেতে। কিছুদিন পরে সে একটা ব্যাবসার কাজে লেগে পরেন এবং বাবার গ্যারেজে বসে তার এক বন্ধুর সাথে অপারেটিং সিস্টেম MAC-IN-TOSH তৈরি করেন। এর পর নিজের কঠোর পরিশ্রম দিয়ে ১৯৭৫ সালে ২০ বছর বয়সে অ্যাপল কোম্পানি তৈরি করেন। যা মাত্র ১০ বছর পর ৪ হাজার লোকের কোম্পানিতে পরিনত হয়ে যায় যার মূল্য দারায় ২ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু স্টিভ জবসের এই সফলতা তার জিবনে বেশি দিন টিকলো না। নিজের কোম্পানির পার্টনারদের সাথে মতের অমিলের কারনে কোম্পানির মার্কেট খারাপ হতে থাকে। কোম্পানির একটা বোর্ড মিটিং এ সকল দোষারোপ তার উপরে দেওয়া হয় এবং তাকে নিজের কোম্পানি থেকে ১৯৮৫ সালে বের করে দেওয়া হয়। এটিই ছিলো স্টিভ জবসের সব থেকে বড় দুঃখের সময়! কিছু দিন স্টিভ খুব কষ্টে কাটালেন এবং কষ্ট থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন করে PIXAR কোম্পানি তৈরি করেন। পিকচার পৃথিবীর প্রথম এনিমেশন মুভি টয়স্টরি তৈরি করে, বর্তমান পিকচার পৃথিবীর সব থেকে বড় এনিমেশন স্টুডিও। এর কিছু দিন পরে জবস APPLE কোম্পানিকে ক্রয় করে নেন। এইভাবেই জবস তার আগের কোম্পানিতে ফিরে আসেন এবং অ্যাপল কোম্পানির CEO হয়ে যান। তিনি মনে করেন প্রোডাক্ট Quantity নয় Quality উপরে নজর দিয়ে হবে। ৫ অক্টোবর ২০১১ কান্সারের কারনে ক্যালিফোর্নিয়াতে মৃত্যু বরন করেন। তিনি বলেছিলেন যারা পাগলের মত মনে করে পৃথিবীকে পালটাতে পারবে তারাই পালটাতে পারে। আমরা এই গল্প থেকে কি বুঝতে পারি? একটি মানুষ কত বার ব্যার্থ হবার পরেও সে হাল ছেড়ে না দিয়ে কঠোর পরিশ্রম করে নিজেকে সেরা করেছেন। কখনোই নিজের জীবনকে বৃথা ভাবেনি সময়ের সাথে যুদ্ধ করে সপ্নকে সত্যি বলে রূপ দিয়েছেন। আমাদের সকল দুঃখ কষ্ট থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা উচিৎ নিজেকে বুঝাতে হবে আমাকে পারতেই হবে, কেন আমি পারব না। স্বপ্ন দেখেন বড় বড় আর অনেক ছোট ছোট কাজ দিয়ে শুরু করেন কিছু করুন আগামি কালের জন্য। যারা আজ আপনাকে নিয়ে উপহাস করে তাদেরকে দেখিয়ে দিন আপনি কি করতে পারেন। স্টিভ বলেছেন আমাদের সব থেকে বড় সমস্যা হচ্ছে আমরা অল্পতেই বিশ্বাস হারিয়ে ফেলি অন্তত নিজের উপরে বিশ্বাস রেখে এগিয়ে যান। আপনি আজ থেকে নিজেকে নিয়ে ভাবুন, কি করছেন নিজের জন্য? আপনি আপনার মধ্য থেকে জ্বলে উঠুন
মহানবী (সা.) যেসব খাবার পছন্দ করতেন
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) যেসব খাবার গ্রহণ করেছেন, তা ছিল সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যসম্মত ও পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। আজকের বিজ্ঞানের গবেষণা-য় বিমূর্ত হচ্ছে রাসুল (সা.)-এর খাবারগুলোর গুণাগুণ ও মানবদেহের জন্য সেগুলোর প্রয়োজনীয়তা। নিম্নে সংক্ষেপে রাসুল (সা.)-এর কিছু খাবারের আলোচনা বিধৃত হলো।
পনির : হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তাবুকের যুদ্ধে রাসুল (সা.)-এর কাছে কিছু পনির উপস্থাপন করা হয়। রাসুল (সা.) বিসমিল্লাহ পড়ে একটি চাকু দিয়ে সেগুলো কাটেন এবং কিছু আহার করেন। (আবু দাউদ : ৩৮১৯)
মাখন : হজরত ইবনাই বিসর আল মুসলিমাইন (রা.) থেকে বর্ণিত, তাঁরা উভয়ে বলেন, 'একবার আমাদের ঘরে রাসুল (সা.) আগমন করেন। আমরা তাঁর সম্মুখে মাখন ও খেজুর পরিবেশন করি। তিনি মাখন ও খেজুর পছন্দ করতেন।' (তিরমিজি : ১৮৪৩)
মিঠাই ও মধু : হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'রাসুল (সা.) মিষ্টান্ন ও মধু পছন্দ করতেন।' (বুখারি, ৫১১৫; মুসলিম, ২৬৯৫) বুখারি শরিফের আরেকটি হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, 'মধু হলো উত্তম ওষুধ।' (৫৩৫৯)
ঘি মাখা রুটি : হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) একদিন বলেন, 'যদি আমাদের কাছে বাদামি গমে তৈরি ও ঘিয়ে সিক্ত সাদা রুটি থাকত, তাহলে সেগুলো আহার করতাম।' আনসারি এক সাহাবি এই কথা শুনে এ ধরনের রুটি নিয়ে আসেন...। (ইবনে মাজাহ : ৩৩৪০)
দুধ : হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, 'মিরাজের রাতে বায়তুল মাকদিসে আমি দুই রাকাত নামাজ পড়ে বের হলে জিবরাইল (আ.) আমার সম্মুখে শরাব ও দুধের আলাদা দুটি পাত্র রাখেন। আমি দুধের পাত্রটি নির্বাচন করি। জিবরাইল (আ.) বললেন, 'আপনি প্রকৃত ও স্বভাবজাত জিনিস নির্বাচন করেছেন।' (বুখারি : ৩১৬৪, তিরমিজি, ২১৩)
খেজুর : হজরত আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রা.) থেকে বর্ণিত, আমি রাসুল (সা.)-কে বার্লির এক টুকরো রুটির ওপর একটি খেজুর রাখতে দেখেছি। তারপর বলেছেন, 'এটিই সালন-মসলা।' (আবু দাউদ : ৩৮৩০) অন্য হাদিসে আছে, প্রিয় নবী (সা.) বলেছেন, 'যে বাড়িতে খেজুর নেই, সে বাড়িতে কোনো খাবার নেই।' এমনকি প্রিয় নবী (সা.) সন্তান প্রসবের পর প্রসূতি মাকেও খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
কিশমিশ : ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'রাসুল (সা.)- এর জন্য কিশমিশ ভিজিয়ে রাখা হতো এবং তিনি সেগুলো পান করতেন।' (মুসলিম)
সারিদ : ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, 'রাসুল (সা.)- এর কাছে রুটির সারিদ ও হায়সের সারিদ অত্যন্ত প্রিয় ছিল।' (আবু দাউদ : ৩৭৮৩)
সারিদ হলো গোশতের ঝোলে ভেজানো টুকরো টুকরো রুটি দিয়ে তৈরি বিশেষ খাদ্য। আর হায়স হলো মাখন, ঘি ও খেজুর দিয়ে যৌথভাবে বানানো খাবার।
সিরকা : হজরত জাবের (রা.) বলেন, 'রাসুল (সা.) তাঁর পরিবারের কাছে সালন কামনা করেন। তাঁরা বলেন, আমাদের কাছে তো সিরকা ছাড়া আর কিছু নেই। মহানবী (সা.)- এর কাছে সেগুলো নিয়ে আসা হলে তিনি তা থেকে খেতে শুরু করেন। তারপর বলেন,
'সিরকা কতই না উত্তম সালন! সিরকা কতই না উত্তম সালন!' হজরত জাবের (রা.) বলেন, 'সেদিন থেকে আমি সিরকা পছন্দ করতে শুরু করি।' (মুসলিম : ২০৫১)
তরমুজ ও শসা : হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.)
তরমুজের সঙ্গে 'রাতাব' বা (পাকা-তাজা) খেজুর খেতেন। (বুখারি : ৫১৩৪, তিরমিজি : ১৮৪৪) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে জাফর (রা.) থেকে বর্ণিত, আমি রাসুল (সা.)-কে শসার সঙ্গে 'রাতাব' খেতে দেখেছি। (মুসলিম : ৩৮০৬)
খরগোশের গোশত : হজরত আনাস ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত, মাররুজ জাহরান নামক স্থানে আমাদের পাশ দিয়ে একটি খরগোশ লাফিয়ে পড়ে। দৃশ্য দেখে আমাদের সঙ্গীরা খরগোশটিকে ধাওয়া করে, কিন্তু তারা সেটিকে পাকড়াও করতে না পেরে ক্লান্ত ও ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসে। তবে আমি ধাওয়া করে এর নাগাল পাই এবং ধরে হজরত আবু তালহার কাছে নিয়ে আসি। তিনি মারওয়া নামক স্থানে সেটি জবাই করেন। এরপর খরগোশটির ঊরু ও নিতম্ব আমাকে দিয়ে রাসুল (সা.)-এর কাছে পাঠান। রাসুল (সা.) সেগুলো ভক্ষণ করেন।' তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো, রাসুল কি তা খেয়েছিলেন? তিনি বলেন, গ্রহণ করেছিলেন। (বুখারি : ২৪৩৩) খাসির পায়া : হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'আমরা ছোট খাসির পায়া রান্না করতাম। রাসুল (সা.) কোরবানির ১৫ দিন পরও সেগুলো খেতেন।' (বুখারি : ৫১২২) মোরগ : হজরত জাহদাম (রা.) থেকে বর্ণিত, একদিন আবু মুসা একটি মোরগ নিয়ে আসেন। ফলে উপস্থিত একজন গলার স্বর ভিন্ন করে আওয়াজ করল। হজরত আবু মুসা জিজ্ঞেস করলেন, কী হলো তোমার? লোকটি বলল, মোরগকে আমি বিভিন্ন খাবার খেতে দেখে আমার অপছন্দ হওয়ায় শপথ করেছি, কোনো দিন মোরগ খাব না। হজরত আবু মুসা তাকে বললেন, 'কাছে আসো। খাওয়ায় অংশগ্রহণ করো। কারণ আমি রাসুল (সা.)- কে মোরগ খেতে দেখেছি। আর তুমি তোমার শপথ ভঙ্গের কাফফারা আদায় করে দেবে। (বুখারি : ৫১৯৮, ৪৬৬২; মুসলিম : ১৬৪৯) লাউ : হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, একবার একজন দর্জি রসুল (সা.)-কে খাবারের দাওয়াত করে। আমিও মহানবী (সা.)-এর সঙ্গে সেই খাবারে অংশগ্রহণ করি। রাসুল (সা.)-এর সামনে বার্লির রুটি এবং গোশতের টুকরা ও কদু মেশানো ঝোল পরিবেশন করে। আমি দেখেছি, রাসুল (সা.) প্লেট থেকে খুঁজে খুঁজে কদু নিয়ে খাচ্ছেন। আর আমিও সেদিন থেকে কদুর প্রতি আসক্ত হয়ে উঠি। (মুসলিম, ২০৬১; বুখারি, ৫০৬৪) জলপাই : রাসুল (সা.) বলেন, তোমরা জয়তুন খাও এবং জয়তুনের তেল গায়ে মাখো। কেননা এটি একটি মোবারক বৃক্ষ থেকে তৈরি। (সুনানে ইবনে মাজাহ : ১০০৩, তিরমিজি : ১৮৫১) সামুদ্রিক মাছ : মহানবী (সা.) সাগরের মাছ পছন্দ করতেন। এ বিষয়ে আবু উবায়দা ইবনুল জাররাহ (রা.)-এর একটি দীর্ঘ হাদিস আছে। হাদিসটি বুখারি (৪৩৬১) ও মুসলিম (১৯৩৫) শরীফে বর্ণিত হয়েছে।
বিভিন্ন বর্ণনায় রয়েছে, রাসুল (সা.) মরুভূমির এক প্রকার পাখির গোশত, মাশরুম, বার্লি, গাজর-ডুমুর, আঙুর, ভিনেগার, ডালিম ইত্যাদি পছন্দ করতেন। প্রায় দেড় হাজার বছর আগে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স:) এর পছন্দের ১২টি খাবার ও তাঁর গুণাবলী এখানে উল্লেখ করা হলো। এসব খাবার নবীজী (স:) আহার করতেন এবং দেড় হাজার বছর পর আজকের বিজ্ঞান গবেষণা করে দেখেছে নবীজী (স:) এর বিভিন্ন খাবারের গুণাগুণ ও উপাদান অত্যন্ত যথাযথ ও নির্ভুল, নিরঙ্কুশভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। নবীজী (স:) এর খাবারের মধ্যে রয়েছে বার্লি , খেজুর, ডুমুর, আঙ্গুর, মধু, তরমুজ, দুধ, মাশরুম, অলিভ অয়েল, ডালিম-বেদানা, ভিনেগার ও পানি। খাবারের গুণাবলী এখানে উল্লেখ করা হলো: এক: বার্লি (জাউ): এটা জ্বরের জন্য এবং পেটের পীড়ায় উপকারী। দুই: খেজুর: খেজুরের গুণাগুণ ও খাদ্যশক্তি অপরিসীম। খেজুরের খাদ্যশক্তি ও খনিজ লবণের উপাদান শরীর সতেজ রাখে। নবীজী (স:) বলতেন, যে বাড়ীতে খেজুর নেই সে বাড়ীতে কোন খাবার নেই। এমনকি সন্তান প্রসবের পর প্রসূতি মাকে খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন আল্লাহর নবী। তিন: ফিগস বা ডুমুর: ডুমুর অত্যন্ত পুষ্টিকর ও ভেষজগুণ সম্পন্ন যাদের পাইলস ও কোষ্ঠকাঠিন্য আছে তাদের জন্য অত্যন্ত উপযোগী খাবার। চার: আঙ্গুর: নবীজী (স:) আঙ্গুর খেতে অত্যন্ত ভাল বাসতেন। আঙ্গুরের পুষ্টিগুণ ও খাদ্যগুণ অপরিসীম। এই খাবারের উচ্চ খাদ্য শক্তির কারণে এটা থেকে আমরা তাত্ক্ষণিক এনার্জি পাই এবং এটা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। আঙ্গুর কিডনির জন্য উপকারী এবং বাওয়েল মুভমেন্টে সহায়ক। যাদের আইবিএস বা ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম আছে তারা খেতে পারেন। পাঁচ: মধু- মধুর নানা পুষ্টিগুণ ও ভেষজ গুণ রয়েছে। মধুকে বলা হয় খাবার, পানীয় ও ওষুধের সেরা। হালকা গরম পানির সঙ্গে মিশিয়ে মধু পান ডায়রিয়ার জন্য ভালো। খাবারে অরুচি, পাকস্থলীর সমস্যা, হেয়ার কন্ডিশনার ও মাউথ ওয়াশ হিসেবে উপকারী। ছয়: তরমুজ- সব ধরনের তরমুজ স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। নবীজী (স:) তরমুজ আহারকে গুরুত্ব দিতেন। যেসব গর্ভবতী মায়েরা তরমুজ আহার করেন তাদের সন্তান প্রসব সহজ হয়। তরমুজের পুষ্টি, খাদ্য ও ভেষজগুণ এখন সর্বজনবিদিত ও বৈজ্ঞানিক সত্য। সাত: দুধ- দুধের খাদ্যগুণ, পুষ্টিগুণ ও ভেষজগুণ বর্ণনাতীত। দেড় হাজার বছর আগে বিজ্ঞান যখন অন্ধকারে তখন নবীজী (স:) দুধ সম্পর্কে বলেন, দুধ হার্টের জন্য ভালো। দুধ পানে মেরুদন্ড সবল হয়, মস্তিষ্ক সুগঠিত হয় এবং দৃষ্টিশক্তি ও স্মৃতিশক্তি প্রখর হয়। আজকের বিজ্ঞানীরাও দুধকে আদর্শ খাবার হিসেবে দেখেন এবং এর ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি অস্থিগঠনে সহায়ক। আট: মাশরুম- আজ বিশ্বজুড়ে মাশরুম একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার এবং মাশরুম নিয়ে চলছে নানা গবেষণা। অথচ দেড় হাজার বছর আগে নবীজী (স:) মাশরুম চোখের জন্য ভালো এবং এটা বার্থ কন্ট্রোলে সহায়ক এবং মাশরুমের ভেষজগুণের কারণে এটা নার্ভ শক্ত করে এবং শরীর প্যারালাইসিস বা অকেজো হওয়ার প্রক্রিয়া রোধ করে।
নয়: অলিভ অয়েল: অলিভ অয়েলের খাদ্য ও পুষ্টিগুণ বহুমুখী। তবে আজ মানুষের ত্বকের সৌন্দর্য রক্ষা ও বয়স ধরে রাখার জন্য যারা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করছেন তাদের দেড় হাজার বছর আগে নবীজী (স:) অলিভ অয়েল ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন। গবেষণায় দেখা গেছে অলিভ অয়েল ত্বক ও চুলের জন্য ভালো এবং বয়স ধরে রাখার ক্ষেত্রে সহায়ক বা বুড়িয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া বিলম্বিত করে। এছাড়া অলিভ অয়েল পাকস্থলীর প্রদাহ নিরাময়ে সহায়ক। দশ: ডালিম-বেদানা: বেদানার পুষ্টিগুণ ও খাদ্যগুণের পাশাপাশি এটার ধর্মীয় একটি দিক আছে এবং নবীজী (স:) বলতেন, এটা আহারকারীদের শয়তান ও মন্দ চিন্তা থেকে বিরত রাখে। এগার: ভিনেগার- ভিনেগারের ভেষজ গুণ ও খাদ্যগুণ অপরিসীম। নবীজী (স:) অলিভ অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে ভিনেগার খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। অথচ আজকের এই মডার্ন ও বিজ্ঞানের অভূতপূর্ব সাফল্যের যুগে বিশ্বের বড় বড় নামি-দামি রেস্টুরেন্ট বিশেষ করে এলিট ইটালিয়ান রেস্টুরেন্টে অভিল অয়েল ও ভিনেগার এক সঙ্গে মিশিয়ে পরিবেশন করা হয়। বার: খাবার পানি: পানির অপর নাম জীবন। পানির ভেষজগুণ অপরিসীম। দেড় হাজার বছর আগে নবীজী (স:) পানিকে পৃথিবীর সেরা ড্রিংক বা পানীয় হিসাবে উল্লেখ করেছেন। সৌন্দর্য চর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় চিকিত্সা বিজ্ঞানীরা আজ প্রচুর পানি পান করতে বলেন। নবীজির প্রিয় ১২ খাবার ও তার গুণাবলী হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সা.)-এর পছন্দের ১২টি প্রিয় খাবার ছিল। এসব খাবার তিনি প্রতিনিয়তই আহার করতেন। নবীজী (সা.) এর পছন্দের খাবারের গুলো হল বার্লি, খেজুর, ডুমুর, আঙ্গুর, মধু, তরমুজ, দুধ, মাশরুম, অলিভ অয়েল, ডালিম-বেদানা, ভিনেগার ও পানি। এসব খাবারের গুণাবলী এখানে উল্লেখ করা হলো। বার্লি (জাউ): এটা জ্বরের জন্য এবং পেটের পীড়ায় উপকারী। অসুস্থ অবস্থায়, মূলত জ্বর হলে রাসুল (সা.) এই খাবারটি বেশি গ্রহণ করতেন বলে জানা যায়। খেজুর: খেজুর রাসুলের (সা.) খুব প্রিয় একটি খাবার। প্রিয়নবী (সা.) বলতেন, যে বাড়িতে খেজুর নেই সে বাড়িতে কোনো খাবার নেই। এমনকি প্রিয়নবী (সা.) সন্তান প্রসবের পর প্রসূতি মাকে খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। খেজুরের গুণাগুণ ও খাদ্যশক্তি অপরিসীম। খেজুরের খাদ্যশক্তি ও খনিজ লবণের উপাদান শরীল সতেজ রাখে। ডুমুর: ডুমুরও রাসুলের (সা.) প্রিয় খাবারের মধ্যে অন্যতম। ডুমুর অত্যন্ত পুষ্টিকর ও ভেষজগুণসম্পন্ন যাদের পাইলস ও কোষ্ঠকাঠিন্য আছে তাদের জন্য অত্যন্ত উপযোগী খাবার। আঙ্গুর: প্রিয়নবী (সা.) আঙ্গুর খেতে অত্যন্ত ভালোবাসতেন। তার প্রিয় খাবারের তালিকায় আঙ্গুর অন্যতম। আঙ্গুরের পুষ্টিগুণ ও খাদ্যগুণ অপরিসীম। এই খাবারের উচ্চ খাদ্যশক্তির কারণে এটা থেকে আমরা তাৎক্ষণিক এনার্জি পাই এবং এটা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। আঙ্গুর কিডনির জন্য উপকারী এবং বাওয়েল মুভমেন্টে সহায়ক। যাদের আইবিএস বা ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম আছে তারা খেতে পারেন। মধু: মধু ছিল রাসুলের (সা.) অত্যন্ত প্রিয় একটি খাদ্য। বিভিন্ন সময় তিনি মধু খেতেন। মধুর নানা পুষ্টিগুণ ও ভেষজ গুণ রয়েছে। মধুকে বলা হয় খাবার, পানীয় ও ওষুধের সেরা। হালকা গরম পানির সঙ্গে মিশিয়ে মধু পান করা ডায়রিয়ার জন্য ভালো। খাবারে অরুচি, পাকস্থলীর সমস্যা, হেয়ার কন্ডিশনার ও মাউথওয়াশ হিসেবে উপকারী। তরমুজ: প্রিয়নবী (সা.) তরমুজ আহারকে গুরুত্ব দিতেন। নিজেও বেশ পরিমাণে তরমুজ খেতেন। সব ধরনের তরমুজ স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। যেসব গর্ভবর্তী মা তরমুজ আহার করেন তাদের সন্তান প্রসব সহজ হয়। দুধ: দুধ রাসুলের (সা.) অত্যন্ত প্রিয় ছিল। দুধকে জান্নাতি খাবার বলা হয়। দুধের খাদ্যগুণ, পুষ্টিগুণ ও ভেষজগুণ বর্ণনাতীত। দুধ পানে মেরুদণ্ড সবল হয়, মস্তিষ্ক সুগঠিত হয় এবং দৃষ্টিশক্তি ও স্মৃতিশক্তি প্রখর হয়। আজকের বিজ্ঞানীরাও দুধকে আদর্শ খাবার হিসেবে ঘোষণা করেছেন এবং এর ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি অস্থিগঠনে সহায়ক। মাশরুম: প্রিয়নবী (সা.) জানতেন মাশরুম চোখের জন্য ভালো। এটা বার্থ কন্ট্রোলে সহায়ক ও মাশরুমের ভেষজগুণের কারণে এটা নার্ভ শক্ত করে এবং শরীরের প্যারালাইসিস বা অকেজো হওয়ার প্রক্রিয়া রোধ করে। আজ বিশ্ব জুড়ে মাশরুম একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার এবং মাশরুম নিয়ে চলছে নানা গবেষণা। জলপাই তেল: অলিভ
অয়েলের খাদ্য ও পুষ্টিগুণ অনেক। গবেষণায় দেখা গেছে অলিভ অয়েল ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী এবং বয়স ধরে রাখার ক্ষেত্রে সহায়ক বা বুড়িয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া বিলম্বিত করে। এছাড়া অলিভ অয়েল পাকস্থলীর প্রদাহ নিরাময়ে সহায়ক। ডালিম-বেদানা: প্রিয়নবী (সা.) বলেছেন, ডালিম-বেদানা আহারকারীদের শয়তানও মন্দ চিন্তা থেকে বিরত রাখে। বেদানার পুষ্টিগুণ ও খাদ্যগুণের পাশাপাশি এটার ধর্মীয় একটি দিক আছে। ভিনেগার: ভিনেগারের ভেষজ গুণ ও খাদ্যগুণ অপরিসীম। প্রিয়নবী (সা.) অলিভ অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে ভিনেগার খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। ● খাবার পানি: প্রিয়নবী (সা.) পানিকে পৃথিবীর সেরা ড্রিংক বা পানীয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন। পানির অপর নাম জীবন। পানির ভেষজগুণ অপরিসীম। সৌন্দর্য চর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যরক্ষায় চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা আজ প্রচুর পানি পান করতে বলেন।






















.png)


.jpg)