এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Tips লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Tips লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

৯ এপ্রিল, ২০২২

অনলাইন ফটো বিক্রি

 অনলাইন ফটো বিক্রি





আপনি যদি নিয়মিত ছবি তোলেন বা আপনার হার্ড ড্রাইভে প্রচুর ছবি থাকে, আপনি কিছু অর্থ উপার্জনের জন্য স্টক এজেন্সির কাছে সেগুলি বিক্রি করতে পারেন। যখনই কেউ আপনার একটি ছবি ডাউনলোড করবে তখন আপনি একটি কমিশন পাবেন—হয় একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ বা স্টক ইমেজ সাইট দ্বারা নির্ধারিত শতাংশ।

অনলাইনে আপনার ছবি বিক্রি করার জন্য সেরা ওয়েবসাইট:

বিস্ফোরণ
শাটারস্টক,shutterstock.com,
আলমি,alamy.com,
iStock.com
আপনি যদি একটি নির্দিষ্ট থিমকে ঘিরে একটি সুন্দর সংগ্রহ তৈরি করেন তবে আপনি এটি থেকে ভাল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারেন। এবং সবচেয়ে ভালো দিক হল আপনার আপলোড করা প্রতিটি ছবি বারবার বিক্রি করা যেতে পারে, যদিও কিছু ওয়েবসাইট আপনাকে তাদের প্ল্যাটফর্মের জন্য ফটোগুলিকে একচেটিয়া করার প্রয়োজন হতে পারে।

চুল পড়া ও খুশকির সমস্যার সমাধান

 মাথা বেশিরভাগ সময় ঘেমে থাকলে চুল পড়ার সমস্যা দেখা দেয়। আর এই মৌসুমেও খুশকি থেকে রেহাই মেলে না। 'রেড বিউটি স্যালনের' কর্ণধার ও রূপবিশেষজ্ঞ আফরোজা পারভীন বলেন, "যাদের মাথার ত্বক শুষ্ক সাধারণত তাদের খুশকির প্রবণতা বেশি। আর খুশকির সমস্যার কারণেই চুল পড়ার সমস্যা দেখা দেয়। অন্যদিকে, যাদের মাথার ত্বক তৈলাক্ত তারা ভালো মতো চুল পরিষ্কার করলে এই সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি পেতে পারেন।" তার মতে, মাথার ত্বক তৈলাক্ত হলে নিয়মিত শ্যাম্পু করলে ধীরে ধীরে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। তবে শুষ্ক ত্বকের অধিকারীদের কিছুটা বাড়তি যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন। 

















 শুষ্ক মাথার ত্বকের অধিকারীদের খুশকি দূর করার উপায় :



 তেল হালকা গরম করে ভালো মতো মাথার ত্বকে মালিশ করতে হবে। এতে মাথার ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বাড়বে এবং চুলের কূপ উন্মুক্ত হবে।



ফলে তেল মাথার ত্বকে প্রবেশ করবে ও চুলে পুষ্টি যোগাবে। তেল মালিশে অপুষ্ট চুল পুষ্টি পায় এবং পুষ্ট চুলের বৃদ্ধি দ্রুত হয়। মাথার ত্বকে মালিশ করা খুশকি দূর করতেও সহায়তা করে। আর খুশকি কমলে চুল পড়া অনেকটাই কমে আসে বলে জানান, আফরোজা পারভিন। 


 খুশকি দূর করার ঘরোয়া প্যাক তৈরি:

 টক দইয়ের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে মাথার ত্বক ও চুলের গোড়ায় ব্যবহার করে ২০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। এরপর ভালো মতো শ্যাম্পু করে নিতে হবে। এই প্যাক ব্যবহার কেবল চুলের খুশকি দূর করে না বরং চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও সহায়তা করে।

সপ্তাহে কমপক্ষে দুবার এই প্যাক ব্যবহারে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।

৭ এপ্রিল, ২০২২

নিজেকে নিরাপদ রেখে যেভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন

 ব্রাউজারের ইনকগনিটো মোড বা সিক্রেট মোডের সঙ্গে আমরা সবাই খুব ভালোভাবেই পরিচিত। এখনকার মডার্ন সব ডেক্সটপ ব্রাউজার এবং স্মার্টফোন ব্রাউজারেই ইনকগনিটো মোড থাকে। যখন ইন্টারনেটে ব্যক্তিগত কোনো উদ্দেশ্যে কোনো ওয়েবসাইট ভিজিট করি বা এমন কোনো সংবেদনশীল বিষয়ে ইন্টারনেট ব্রাউজ করি, আমরা চাই সেটি যেন দ্বিতীয় কোনো ব্যক্তি দেখতে না পায়। আর সে উদ্দেশ্যেই ব্রাউজারের ইনকগনিটো মোড বা ইনকগনিটো ট্যাব ওপেন করি।



ইনকগনিটো মোড বা প্রাইভেট ব্রাউজিং হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া, যা এনাবল করে আপনি যদি ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে কোন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করেন। তাহলে আপনার ব্রাউজিং হিস্টরি, ক্যাশ, সেশন, কুকিজ ইত্যাদি ব্রাউজার সেভ করে রাখবে না। আপনি যখনই ব্রাউজিং শেষ করে ব্রাউজার থেকে বের হয়ে যাবেন তখনই তা অটোমেটিক রিমুভ হয়ে যাবে। এতে ব্যক্তিগত তথ্য লুকিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন যেভাবে

ইনকগনিটো মোড যেভাবে কাজ করে যখন ব্রাউজারের ইনকগনিটো উইন্ডো বা ট্যাব ওপেন করা হয়, তখন আপনার ব্রাউজার একটি নতুন ব্রাউজিং সেশন তৈরি করে, যেখানে ব্রাউজারে আগে থেকে সেভ করা কোনো ব্রাউজিং ক্যাশ, হিস্টরি বা কোনো কুকিজ আলাদা করে রাখা হয়। আর এই নতুন সেশনে আপনি যা যা ব্রাউজ করেন, তা থেকে জেনারেট হওয়া ক্যাশ এবং কুকিজ অস্থায়ীভাবে এই নতুন ব্রাউজিং সেশনে সেভ করা হয়। আপনি যেই মুহূর্তে ইনকগনিটো মোড বা ইনকগনিটো ট্যাবটি ক্লোজ করে দেন, তখনই এই নতুন ব্রাউজিং সেশনটি শেষ হয়ে যায় এবং এই সেশনে জেনারেট হওয়া সব ক্যাশ, কুকিজ এবং হিস্টরি-সব কিছু ডিলিট করে দেওয়া হয়, যাতে এরপর অন্য কেউ এই ব্রাউজারটি ব্যবহার করলে তাঁর কাছে ইনকগনিটো মোডে ব্রাউজ করা কনটেন্টগুলোর কোনো ডাটার কোনো হদিস না থাকে।


ইনকগনিটো মোডে ইন্টারনেট ব্রাউজ করার সময় হয়তো খেয়াল করেছেন যে ইনকগনিটো ব্রাউজিং সেশন শুরু করার আগেই প্রায় সব ব্রাউজারে একটি ওয়ার্নিং মেসেজ দেওয়া হয়, যদিও ইনকগনিটো মোড আপনার মূল ব্রাউজিং সেশনের কোনো ক্যাশ বা কোনো কুকিজ বা কোনো ডাটা অ্যাকসেস করে না, তবে আপনার ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডার বা আপনার নেটওয়ার্ক প্রভাইডার, আপনার এমপ্লয়ার নেটওয়ার্ক অ্যাডমিন এবং আপনি ইনকগনিটো মোডে যে ওয়েবসাইট ভিজিট করছেন, সেই ওয়েবসাইটটির সার্ভার চাইলেই আপনাকে ট্র্যাক করতে পারবে। অর্থাৎ ইনকগনিটো মোড ব্যবহার করলেও আপনার কার্যক্রম এদের কাছ থেকে লুকায়িত থাকবে না। এর কারণ হচ্ছে, ইনকগনিটো মোড শুধু সেই সব ব্রাউজিং ডাটা ট্র্যাক না করার নিশ্চয়তা দেয়, যেগুলো আপনার ডিভাইসে লোকালি স্টোর হচ্ছে। অর্থাৎ কোনো ওয়েবসাইট ব্রাউজ করার সময় আপনার ব্রাউজিং অভ্যাস সম্পর্কে যেসব ডাটা আপনার নিজের ডিভাইসে স্টোর হচ্ছে, ইনকগনিটো মোড শুধু সেই ডাটাগুলোকে ট্র্যাক না করার নিশ্চয়তা দিয়ে থাকে।

কিন্তু ইনকগনিটো মোডে ব্রাউজ করার সময়ও আপনি আপনার ভিজিট করা ওয়েবসাইটগুলোর সার্ভারের কাছে যে রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছেন বা সার্ভার থেকে যেসব রিকোয়েস্ট রিসিভ করছেন, এসব ট্র্যাফিক কিন্তু রাউট হচ্ছে আপনার আইএসপি কিংবা আপনার নেটওয়ার্ক প্রভাইডারের সার্ভার থেকেই। সাধারণভাবে ইন্টারনেট ব্রাউজ করলে আপনার রিকোয়েস্টগুলো সার্ভারের কাছে যেভাবে যেত, ইনকগনিটো মোড ব্যবহার করলেও আপনার রিকোয়েস্টগুলো সার্ভারের কাছে অবিকল সেভাবেই যাচ্ছে। সুতরাং ইনকগনিটো মোড বা সিক্রেট মোড ব্যবহারের ফলে এখানে বাড়তি কোনো ধরনের এনক্রিপশন বা বাড়তি কোনো নিরাপত্তা যোগ হয় না। ওয়েবসাইটের যেসব ফিচার ইনকগনিটো মোডে কাজ করতে পারে, যেমন-অ্যালাউ করা ব্রাউজার এক্সটেনশন, অ্যাডোবি ফ্ল্যাশ প্লেয়ার ইত্যাদি টুল আপনার ইনকগনিটো মোডে ব্রাউজ করা ডাটা অ্যাকসেস করতে পারে এবং ট্রেস করার ক্ষমতা রাখে। তাই সব সময় খেয়াল রাখবেন যে ইনকগনিটো মোডে কী কী ব্রাউজার এক্সটেনশন এবং ফিচার ইনেবল করে রেখেছেন। যদি প্রাইভেসি নিয়ে অনেক বেশি চিন্তিত হন, তাহলে অপ্রয়োজনীয় সব ফিচার এবং এক্সটেনশন ইনকগনিটো মোডে ডিস-এবল করে রাখতে পারেন।



Nail Cutting Superstition: সূর্যাস্তের পর নখ কাটতে বারণ করা হয় কেন ? এটা কি কুসংস্কার না অন্য কিছু ?

 afflict Cutting Superstitions: আমরা বোধহয় অনেকেই জানি না যে সূর্য অস্ত যাওয়ার পর নখ কাটতে বারণ করা হয় কেন? এর নেপথ্যে আদৌ কোনও যুক্তি রয়েছে কি ?



সমাজে এমন অগণিত কুসংস্কার (Strange notion) রয়েছে যা আমাদের বেশ কিছু কাজ করতে বা না করতে বাধ্য করে। এর মধ্যে অন্যতম হল সূর্যাস্তের পরে নখ না কাটা। আমরা বোধহয় অনেকেই জানি না যে সূর্য অস্ত যাওয়ার পর নখ কাটতে বারণ করা হয় কেন? এর নেপথ্যে আদৌ কোনও যুক্তি রয়েছে কি (Nail Cutting Superstition)? বেশিরভাগ ভারতীয় পরিবারে এবং বিশ্বের অন্যান্য বেশ কয়েকটি প্রাচীন দেশে এই সংস্কার চালু রয়েছে। এই ধরনের পুরনো কিছু অভ্যাস আমাদের অনেকের কাছে উদ্ভট বা অযৌক্তিক মনে হতে পারে। অনেক মানুষই এগুলিকে নিছক কল্পনা বলে উড়িয়ে দেন। আবার অনেকে এ ধরণের প্রাচীন বিশ্বাসকে অনুসরণ করেন এবং কঠোরভাবে সেই নিয়ম মেনে চলেন। কিন্তু তার কারণ কী


সূর্যাস্তের পর নখ কাটতে নিষেধ করার মূল কারণ কিন্তু হল নেহাতই শারীরিক সুরক্ষা, এর সঙ্গে দুর্ভাগ্যের কোনও সম্পর্ক নেই। আগেরকার দিনের মানুষ ঘরে আলো সরবরাহ করতে সাধারণত লণ্ঠন বা তেলের বাতি ব্যবহার করত। অতএব, দিনের স্বাভাবিক আলো ছাড়া রাতে সে ভাবে কোনও সূক্ষ্ম কাজ করার অভ্যাস ছিল না। ফলে রাতের নিভু-নিভু আলোতে নখ কাটতে গেলে যে কোনও সময় হাত-পায়ের আঙুল কেটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকত। এখানেই শেষ নয়। সে সময় নখ কাটার জন্য নানা ধরনের হাতিয়ার, যেমন ধারালো কাটারি বা ছুরি ইত্যাদি ব্যবহার করা হত, এগুলো অন্ধকারে সঙ্গত কারণেই আঘাতের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়। দিনের আলোতে এগুলো ব্যবহার করা যতটা সহজ ছিল, রাতে হয়ে দাঁড়াত ততটাই বিপদজনক।


তা ছাড়া যে নখগুলো ত্বকের বাইরে বিস্তৃত থাকে, সেগুলো সাধারণত আমাদের মৃত কোষ। সুতরাং, আলোর অভাবে, হাতের আঙুল এবং পায়ের আঙুল থেকে কাটা এই অস্বাস্থ্যকর মৃত ত্বকের কোষগুলো খাবারে গিয়ে পড়লে দেখা যাবে না, কাপড়ে আটকে থাকতে পারে এবং শারীরিক অসুস্থতার কারণ হয়ে উঠতে পারে।

তাই প্রবীণরা সূর্য অস্ত যাওয়ার পর নখ কাটতে বারণ করেন। এর সঙ্গে কুসংস্কারের কোনও যোগাযোগ নেই। কিন্তু সঠিক কারণ না জেনে দীর্ঘদিন ধরে এই নিয়ম মেনে চলার জন্য আজ তা কুসংস্কারে পরিণত হয়েছে।


৬ এপ্রিল, ২০২২

Skin health management Tips: কাঁচের মতো উজ্জ্বল ত্বকের জন্য এই 'স্কিন কেয়ার রুটিন' অনুসরণ করুন

 চমকপ্রদ মুখ সকলের কামনা কিন্তু এই গ্রীষ্মের মরসুমে এই চাহিদা পূরণ করা দুষ্কর হয়ে পরে গরম, রোদ ও ধুলোর জন্যে। এইসব কারণে ঘাম উৎপন্ন হয়, তার সাথে আঠালো ভাবের জন্যে মুখের উজ্জ্বলতা কমে গিয়ে নিস্তেজ দেখায়।



















আমরা এই বিষয়ে সৌন্দর্য বিশেষজ্ঞ সাথে কথা বলে জেনেছি কীভাবে সহজেই কাচের মতন উজ্জ্বল ত্বক পেতে পারি আমরা। তারা বলেন, "ঋতু যাই হোক না কেন, ত্বক পরিষ্কার রাখা খুবই জরুরি। ত্বক গভীরভাবে পরিষ্কার করা হলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আয়নার মতো ঝকঝকে হবে। আমাদের এর জন্যে যা করতে হবে জেনে নিন: ১) স্ক্রাব করুন: আপনি যদি কাঁচের মতো উজ্জ্বল ত্বক চান, তাহলে প্রথমে আপনাকে আপনার ত্বককে ভালোভাবে এক্সফোলিয়েট করতে হবে। এর জন্য রান্নাঘরে উপস্থিত উপাদান দিয়ে ঘরেই তৈরি করতে পারেন স্ক্রাব-


উপাদান- ১ চা চামচ দই ১ চা চামচ পোস্ত পদ্ধতি:- দইয়ে পোস্ত মিশিয়ে নিন।এবার এই মিশ্রণটি দিয়ে হালকা হাতে মুখ ঘষে নিন। ২ মিনিট মুখে স্ক্রাব করার পর জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।এতে করে ত্বকের ছিদ্রে লুকিয়ে থাকা ময়লা দূর করা সহজ হবে। ও মুখের ওপর ময়লার স্তর সোরে যাবে। ২) মুখে গরম জলের বাষ্প নিন: স্ক্রাব করার পর ফেসিয়াল স্টিম নিন। আপনি আপনার ত্বকের ধরন অনুযায়ী বাড়িতে ফেসিয়াল স্টিম নিতে পারেন। আপনার যদি স্বাভাবিক ত্বক থাকে, তাহলে আপনি কেবল একটি ভিটামিন-ই ক্যাপসুল জলের সাথে মিলিয়ে লাগাতে পারেন বা জলে তার তেল মিশিয়ে দিতে পারেন এবং তারপর সেই জল থেকে বাষ্প নিতে পারেন। ত্বকের জন্য ভিটামিন-ই তেলের উপকারিতা একটি নয়, অনেকগুলি, এই সুবিধাগুলির মধ্যে একটি হল এটি ত্বকে উজ্জ্বলতা আনে। ৩) ব্ল্যাকহেডস এবং হোয়াইটহেডস দূর করুন: ত্বক স্ক্রাব করার পর এবং ফেসিয়াল স্টিম নেওয়ার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ব্ল্যাকহেডস এবং হোয়াইটহেডস দূর করা। যদিও, এই প্রক্রিয়াটি কিছুটা কষ্টদায়ক, তবে আপনি যদি সঠিক পদ্ধতিতে এগুলি অপসারণ করেন তবে খুব বেশি ঝামেলা হয় না। আপনি বাজারে সহজেই এই চুচের মতন দেখতে ক্লিনজার পিন খুঁজে পাবেন, তবে আপনি সহজেই চুলের ক্লিফের পিছনের দিক দিয়ে ব্ল্যাকহেডস এবং হোয়াইটহেডস দূর করতে পারেন। আপনি ব্ল্যাকহেডস এবং হোয়াইটহেডস দূর করতে আরো একটি পদ্ধতি ব্যাবহার করতে পারেন। আপনি একটি তোয়ালে ব্যবহার করতে পারেন। এর জন্য আপনার নাকে, চিবুক এবং যেখানেই ব্ল্যাকহেডস এবং হোয়াইটহেডস দেখা যায় সেখানে আলতোভাবে তোয়ালে ঘষুন, এতে করে ব্ল্যাকহেডস এবং হোয়াইটহেডস অনেকাংশে দূর হয়ে যায়। শুধু খেয়াল রাখবেন তোয়ালে ঘষায় যেন আপনার ত্বকের রাশেস না হয়ে যায়।


৪) ফেস প্যাক লাগান: ব্ল্যাকহেডস ও হোয়াইটহেডস দূর করার পর মুখে ফেসপ্যাক লাগাতে হবে। আয়নার মতো উজ্জ্বল ত্বক পেতে রান্নাঘরে উপস্থিত উপাদান দিয়ে একটি ফেসপ্যাক তৈরি করতে পারেন- উপাদান: ১ চা চামচ আটা ১ টেবিল চামচ লেবুর রস ১ চা চামচ চন্দন বাটা ১ চা চামচ দুধ 

 পদ্ধতি: প্রথমে একটি পাত্রে আটা, লেবুর রস, চন্দন বাটা এবং দুধ মিশিয়ে নিন। এবার এই মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে দিন। এরপর এই ফেসপ্যাকটি মুখ থেকে ঘষে ঘষে তুলে ফেলুন। এই ফেসপ্যাকটি লাগানোর পর আপনার ত্বকের মরা চামড়ার স্তর যেমন ভালোভাবে পরিষ্কার হবে, তেমনি মুখে তাৎক্ষণিক উজ্জ্বলতাও আসবে। 

 ৫) মুখ ময়েশ্চারাইজ করুন: এখন শেষ ধাপ হিসেবে আপনাকে মুখ ময়েশ্চারাইজ করতে হবে। এর জন্য তাজা অ্যালোভেরা জেলে গোলাপ জল মিশিয়ে মুখে ভালো করে ময়েশ্চারাইজ করুন। এই সব করার পরে, আপনি আপনার ত্বক আগের চেয়ে আরও উজ্জ্বল হবে। আপনি যদি ভাল ফলাফল দেখতে পান তবে আপনি প্রতি সপ্তাহে এই বিউটি রুটিনটি পুনরাবৃত্তি করতে পারেন। কিন্তু আপনার ত্বক যদি সংবেদনশীল হয়, তাহলে প্রথমে একজন ভালো ত্বক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন এবং শুধুমাত্র তার পরামর্শেই এই পদ্ধতিটি অনুসরণ করুন।


৩০ মার্চ, ২০২২

ঘরে রাখা এই দুটি জিনিস ব্যাবহার করুন, মুখ করবে উজ্জ্বল

 মুখের উজ্জ্বলতা বাড়াতে আপনি বাড়িতে ব্যবহৃত এই দুটি খুব সস্তা জিনিস ব্যবহার করতে পারেন। আজ আমরা আপনাকে এমন একটি ঘরোয়া প্রতিকার বলতে যাচ্ছি, যার মাধ্যমে আপনি আপনার মুখ পরিষ্কার এবং হাইড্রেটেড রাখতে পারেন। এটাকে আপনি 'হোম ফেসিয়াল'ও বলতে পারেন। এই হোম ফেসিয়ালের দাম পড়বে দশ টাকারও কম।



আপনি হয়তো জানেন কফি এবং দুধ আমাদের মুখের জন্য কতটা উপকারী। আপনি ঘরে বসেই কীভাবে তৈরি করতে পারেন 'হোম ফেসিয়াল' প্যাক জেনে নিন:- একটি 'হোম ফেসিয়াল প্যাক' তৈরি করতে আপনার লাগবে এক চা চামচ কফি পাউডার, আধা চা চামচ কাঁচা দুধ। 'হোম ফেসিয়াল প্যাক' তৈরি করতে প্রথমে কাঁচা দুধের সঙ্গে কফি পাউডার মিশিয়ে নিন। এটিকে ভালো করে মিশিয়ে নিন এবং এখন আপনার 'হোম ফেসিয়াল প্যাক' প্রস্তুত। হালকা হাতে পরিষ্কার মুখে এই 'হোম ফেসিয়াল প্যাক' লাগান। দুই মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন, তারপর পরিষ্কার জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। কফি ফেস মাস্কও খুব উপকারী। 'হোম ফেসিয়াল প্যাক' ছাড়াও কফি ফেস মাস্ক তৈরি করতে পারেন। এই মাস্কটি আপনার ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে। আসুন জেনে নিই কিভাবে ঘরে বসে কফি ফেস মাস্ক তৈরি করবেন:

কফি ফেস মাস্ক তৈরি করতে আপনার লাগবে এক চা চামচ কফি পাউডার, আধা চা চামচ হলুদের গুঁড়া এবং দুই টেবিল চামচ দই। একটি পাত্রে এই তিনটি জিনিস ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। মিহি পেস্ট তৈরি করার পর মুখে লাগান। মুখে মাস্ক লাগানোর পর ১০ মিনিট রেখে দিন। এরপর পরিষ্কার জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই কফি ফেস মাস্কের উপকারিতা কি কি জানুন? এই কফি ফেস মাস্ক আপনার মুখের ব্রণ দূর করে। এটি তৈলাক্ত মুখের জন্যও খুব উপকারী, কারণ এটি মুখের অতিরিক্ত তেল দূর করে। এই কফি ফেস মাস্ক আপনার মুখের আটকে থাকা ছিদ্রগুলি খুলে দেয়, যা মুখের ফোলাভাবও কমিয়ে ব্ল্যাকহেডসের সমস্যার থেকে মুক্তি দেবে আপনাকে।


২৮ মার্চ, ২০২২

ফেসবুকে বন্ধুত্বের ক্ষেত্রে বিষয়গুলো অবশ্যই লক্ষ্য রাখবেন

 বন্ধুত্বের কোনো বয়স অথবা সীমানা নেই। আর ইন্টারনেটের যুগে বন্ধুত্বের দ্বার খুলে গেছে বিশ্বব্যাপী। ছেলে-বুড়ো, ছাত্র থেকে অফিসের কর্তা সবারই ফেসবুক আইডি রয়েছে। আমরা ফেসবুকের মাধ্যমে যোগাযোগ রক্ষা করছি চেনা-অচেনা বন্ধুর সঙ্গে।

আমরা পুরোনো বন্ধু ফেসবুকের মাধ্যমে খুঁজে পাই, আর অনেকের সঙ্গে নতুন বন্ধুত্বও গড়ে ওঠে। পুরোনো বা নতুন কোনো বন্ধুত্বই যেন বন্ধুত্বের গণ্ডি ছাড়িয়ে না যায়। এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

যে বিষয়গুলো অবশ্য‌ই লক্ষ্য রাখবেন- 

 কারও সঙ্গে ফেসবুকে বন্ধুত্ব হলেই তার সঙ্গে ব্যক্তিগত কোনো ছবি শেয়ার করা যাবে না। কোনো প্রলোভনে ( বিয়ে বা প্রেমের) কোনোভাবেই বিয়ের আগে শারিরিক সম্পর্কে জড়ানো ঠিক নয়।

আর যদি নিজের ইচ্ছায় কোনো অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে যান তবে সে দায় শুধুমাত্র কোনো একজনের নয়। অন্যকে হেয় করতে অথবা নিজের কোনো উদ্দেশ্য সফল করতে সেই সম্পর্ককে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা ঠিক নয়।

আমরা যখন ফেসবুকে অ্যাকাউন্ট খুলি সম্পর্কের জায়গায় অনেকেই সিঙেল লিখেন, বাস্তবে দেখা যায় সে বিবাহিত। কোনো ভুল তথ্য দেওয়া কিন্তু প্রতারণা। আপনি যদি বিবাহিত হন, সঠিক তথ্য দিন ও সঙ্গীকে বন্ধুর তালিকায় রাখুন। ফেসবুকে সঙ্গীসহ ছবি দিন,


অনাকাঙ্ক্ষিত অনেক ঝামেলা থেকে মুক্ত থাকবেন। সবার আগে কিন্তু পরিবার। তাই আমাদের দাম্পত্য জীবনে সমস্যা তৈরি হয় এমন কাউকে ফেসবুকের বন্ধু তালিকায় না রাখাই ভালো। বন্ধুত্বের দুয়ার খোলা। নিজে নিরাপদে থেকে সবার সঙ্গে সুস্থ বন্ধুত্ব রক্ষা করুন।


চুল কেন পড়ে?

 নানা কারণে চুল পড়ে যেতে পারে। চুল পড়া সমস্যার সমাধান করার আগে তাই জানা থাকা চাই চুল পড়ার কারণ সম্পর্কে। জেনে নিন চুল পড়ার কারণ কী কী হতে পারে।










পুষ্টির অভাবে:

 খাদ্যাভ্যাসের কারণে চুল পড়তে পারে। কপার, আয়রন, জিঙ্ক ও প্রোটিনের অভাবে চুল ঝরে যায় দ্রুত। ভিটামিন ডি এর অভাবেও চুল পড়ে। তাই পাতে এসব ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ খাবার রাখবেন।

 হরমোনের পরিবর্তনে :

ত্রিশ বছর হওয়ার পর নারীদের শরীরের বেশি কিছু হরমোন পরিবর্তিত হতে পারে। হরমোনাল ইমব্যালেন্সের কারণেও অনেক সময় চুল ঝরে যায়।

 থাইরয়েডের কারণে :

থাইরয়েড গ্লান্ডের অতিরিক্ত নিঃসরণ বা প্রয়োজনের তুলনায় অল্প নিঃসরণের কারণে চুল পড়ে যেতে পারে। একই কারণে ওজন বেড়ে যায় বা কমে যায়। 

 স্ট্রেস :

মানসিক চাপ বা স্ট্রেস চুল পড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ। অনেকদিন ধরে মানসিক চাপে ভুগতে থাকলে সেটি দূর করার চেষ্টা করুন তাই দ্রুত।


আপনি যদি পারফিউম পছন্দ করেন তবে কেনার সময় এই বিষয়গুলি মাথায় রাখুন

 কিভাবে বুঝবেন কোন পারফিউম দীর্ঘস্থায়ী আর কোনটি নয়। আপনি যদি এটি সম্পর্কে না জানেন এবং আপনি এটির সুগন্ধ দেখে এটি কিনছেন তবে আপনিও প্রতারিত হতে পারেন। বহুবার দামি পারফিউম কেনা সত্ত্বেও তা দীর্ঘস্থায়ী পারফিউম নয় । এমন পরিস্থিতিতে জেনে নিন সেই সব টিপস যা এই ক্ষেত্রে আপনার জন্য সহায়ক হতে পারে।



পারফিউমের শৌখিন অনেকেই। যে কোনো অনুষ্ঠান, পার্টিতে বেশিরভাগ মানুষই পারফিউম ব্যবহার করেন। মহিলারা এই বিষয়ে পছন্দ করার পাশাপাশি খুব পছন্দের। পারফিউম যেমন আপনার মেজাজকে সতেজ করে, তেমনি আপনার ব্যক্তিত্বকেও ফুটিয়ে তোলে । বেশিরভাগ মানুষই দীর্ঘস্থায়ী পারফিউম পছন্দ করেন। কিন্তু কিভাবে বুঝবেন কোন পারফিউম দীর্ঘস্থায়ী আর কোনটি নয়। আপনি যদি এটি সম্পর্কে না জানেন এবং আপনি এটির সুগন্ধ দেখে এটি কিনছেন তবে আপনিও প্রতারিত হতে পারেন। বহুবার দামি পারফিউম কেনা সত্ত্বেও তা দীর্ঘস্থায়ী পারফিউম নয় । এমন পরিস্থিতিতে জেনে নিন সেই সব টিপস যা এই ক্ষেত্রে আপনার জন্য সহায়ক হতে পারে। পারফিউম কেনার সময় লেভেল দেখুন আপনি যখনই একটি পারফিউম কিনবেন, অবশ্যই এর বোতলের স্তর পরীক্ষা করুন। এটি EDP এবং EDT-এর মতো স্তরের চারপাশে লেখা দুটি পদ রয়েছে। দীর্ঘস্থায়ী পারফিউম কিনতে চাইলে ইডিপি দিয়ে পারফিউম কিনুন। এই মত পরীক্ষা পারফিউম কেনার সময়, এটি আপনার ত্বকের কোথাও ছিটিয়ে দিন এবং প্রায় দশ মিনিটের জন্য এভাবে রেখে দিন। ততক্ষণ পর্যন্ত বাকি কেনাকাটা ওখানেই করতে পারবেন। এরপর ওই জায়গায় চেক করুন। যদি সুগন্ধ দীর্ঘস্থায়ী হয় তবে বুঝবেন এটি দীর্ঘস্থায়ী।


শরীরের এই অংশগুলি পরীক্ষা করুন পারফিউমের সুগন্ধ পরীক্ষা করার সময়, এটি শুধুমাত্র কব্জিতে ছিটিয়ে দেবেন না, তবে আপনি এটি তালু, আঙুল, ঘাড় বা কনুইয়ের চারপাশেও পরীক্ষা করতে পারেন। এটি কাপড়ে স্প্রে করে কখনও পরীক্ষা করবেন না। এ ছাড়া সবসময় ভালো ব্র্যান্ডের পারফিউম কিনুন।

প্যাচ টেস্ট করা কখনও কখনও কিছু পারফিউম শোভা পায় না, সেগুলি ব্যবহার করলে অ্যালার্জি হয়। এই সমস্যা এড়াতে প্রথমে পারফিউমের প্যাচ টেস্ট করে নিন। এছাড়াও, কখনও কখনও পারফিউমের তীব্র সুগন্ধে অ্যালার্জি থাকে। এমন পারফিউম কিনবেন না। এছাড়া পরীক্ষা করার সময় কখনোই পারফিউম ঘষবেন না। ঘষলে ফুসকুড়ি ও ফুসকুড়ি হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে।

২৭ মার্চ, ২০২২

ভাতের পাতে লেবু চিপে খান? এতে শরীরে কী হচ্ছে জানুন

 গরমের দিনে লেবুর রস খাওয়াটা মাস্ট। জলে মিশিয়ে হোক, বা ভাতের পাতে, লেবু না খেলেই যেন নয়। ভিটামিন সি-র উৎস হিসেবে শরীরের জন্য খুবই উপকারী লেবু। গরমের দিনে পাতিলেবু, গন্ধরাজ ও কাগজি লেবুর চাহিদাও ভীষণ বাড়ে। কিন্তু কী ভাবে খাবেন লেবু? ভাতের পাতে লেবু চি




কোনও দিন বাড়িতে ফল কেনা না থাকলে, মিড মর্নিং স্ন্যাকের সঙ্গে লেবুর রস খেয়ে নিতে পারেন। আবার ছানা তৈরির সময়েও পাতিলেবুর রস ব্যবহার করাই ভালো। তবে দুধ আর লেবু পরপর খাবেন না কখনওই।


অতিমারির পর থেকে অনেক বাড়িতেই লেবু খাওয়ার চল বেড়েছে আগের চেয়ে। কেউ খাবারের সঙ্গে, কেউ চায়ে দিয়ে খাচ্ছেন লেবু। রোজ একটা করে লেবু খেলে তার উপকার যেমন অনেক, তেমনই লেবুর অতিরিক্ত ব্যবহার কিছু ক্ষেত্রে এড়িয়ে চলা ভালো। যেমন কিডনির অসুখ।


অন্যান্য ফলের চেয়ে লেবুতে ভিটামিন সি-এর পরিমাণ অনেকটাই বেশি। তা ছাড়া ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়ামেও সমৃদ্ধ লেবু। অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টসের জোগান হিসেবে এবং ইমিউনিটি বুস্টার হিসেবে লেবু খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা।


শরীরে প্রবিষ্ট অনেক ক্ষতিকর ব্যাকটিরিয়াকে ধ্বংস করতে পারে লেবুতে থাকা ভিটামিন সি। পেট খারাপ কিংবা ডায়েরিয়া প্রতিরোধে তাই পাতিলেবুর রস কাজে দেয়। এতে উপস্থিত সাইট্রিক অ্যাসিড হজমশক্তিও বাড়ায়। পেট খারাপ হলে লেবু খেতে নেই, এটি ভ্রান্ত ধারণা


ভিটামিন সি জলে দ্রাব্য ভিটামিন, তাই জলে লেবু রস গুলে খেতে পারেন। আবার ভাতের পাতেও খেতে পারেন তা। ভাত খাওয়ার সময়ে প্রায় সব পদের সঙ্গে লেবু চিপে নিয়ে খান অনেকে, তাতে ক্ষতি নেই বলছেন বিশেষজ্ঞরা।


Ways Of helping Your Wi-Fi Signal at Home: বিনা খরচে বাড়িতে ইন্টারনেটের স্পিড বাড়াতে চান ? দেখে নিন সহজ উপায়

 The most effective method to get quicker web at home for nothing | হাই-স্পিড ইন্টারনেটেরই ঠিকঠাক স্পিড পেতে গিয়ে অনেক সময়েই ইউজারদের সমস্যায় পরতে হয়



Ways Of supporting Your Wi-Fi Signal at Home: গত দু'বছরে করোনা অতিমারীর আবহে 'ওয়ার্ক ফ্রম হোম' (Work From Home) বা বাড়ি থেকে কাজ করার রীতি এখন অভ্যেসে পরিণত হয়েছে। তাই বাড়িতে ইন্টারনেট পরিষেবা ভাল হওয়ার যে দরকার তা হাড়ে হাড়ে বুঝেছে মানুষ। শুধু অফিসের কাজ নয়, বদলে যাওয়া দুনিয়ায় বাচ্চাদের পড়াশোনার জন্যও দরকার দ্রুত ইন্টারনেট। বাড়ি থেকে কাজ করার জন্য প্রয়োজন একটি হাই-স্পিড ইন্টারনেট (Rapid web) কানেকশন। সেই হাই-স্পিড ইন্টারনেটেরই ঠিকঠাক স্পিড পেতে গিয়ে অনেক সময়েই ইউজারদের সমস্যায় পরতে হয়। এর জন্য ইন্টারনেটের স্পিড (High speed web) বাড়ানোর দরকার হয়। ইন্টারনেটের স্পিড বাড়ানো যেতে পারে বিনামূল্য। এর জন্য ইন্টারনেট স্পিড বাড়ানোর সঠিক পদ্ধতিগুলিও জেনে রাখা দরকার (How to get quicker web at home for free)। এক নজরে দেখে নিন ফ্রিতে ইন্টারনেট স্পিড বাড়ানোর কয়েকটি উপায় (Ways to Boost Your Wi-Fi Signal)।

শহরে ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় বসবাস করলে Wi-Fi চ্যানেল পরিবর্তন করুন। অনেক সময় একাধিক রাউটারে একই ফ্রিকোয়েন্সি থাকার কারণে ইন্টারনেটের স্পিড কমে যার। তার জন্য শুরুতেই স্মার্টফোনে Wifi Analyzer অ্যাপ ইন্সটল করে দেখে নিন প্রতিবেশীরা কোন চ্যানেলে Wi-Fi ব্যবহার করছেন। এ বার ফাঁকা রয়েছে এমন একটি চ্যানেল বেছে নিয়ে রাউটারের চ্যানেল সেখানে সেট করুন। ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ ডেটা ব্যবহার করতে থাকলে, একদিকে যেমন ইন্টারনেটের স্পিড (Internet Speed) কমে, অন্য দিকে আবার নষ্ট হতে থাকে ডেটা। ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ ডেটা বন্ধ করতে প্রথমেই Settings-এ গিয়ে, Privacy সিলেক্ট করুন। তার পরে বাঁ দিকে স্ক্রোল করে Background Apps সিলেক্ট করুন এবং সার্ভিসগুলি বন্ধ করে দিন।


News18 India কলকাতা দেশ জ্যোতিষকাহন চাকরি ও শিক্ষা IPL 2022 বিদেশ খেলা লাইফস্টাইল বিনোদন পাঁচমিশালি ছবি ভিডিও LIVE TV NETRA SURAKSHA ভাষা নির্বাচন করুন : বাংলা(আরও ১২টি ভাষায়) Englishहिन्दी (Hindi)मराठी (Marathi)ગુજરાતી (Gujarati)ಕನ್ನಡ (Kannada)தமிழ் (Tamil)മലയാളം (Malayalam)తెలుగు (Telugu)ਪੰਜਾਬੀ (Punjabi)اردو (Urdu)অসমীয়া (Assamese)ଓଡ଼ିଆ (Odia) ফিরে যান দেশ স্থানীয় আন্তর্জাতিক বিনোদন IPL 2022 জ্যোতিষকাহন চাকরি ও শিক্ষা লাইফস্টাইল ব্যবসা-বাণিজ্য প্রযুক্তি Made sense of ছবি ভিডিও পাঁচমিশালি খেলা LIVE TV মিশন পানি শো আমাদের সম্পর্কে গোপনীয়তা নীতি সাইট ম্যাপ যোগাযোগ করুন HOME / NEWS / Innovation / WAYS Of supporting YOUR WI-FI SIGNAL AT HOME: বিনা খরচে বাড়িতে ইন্টারনেটের স্পিড বাড়াতে চান ? দেখে নিন সহজ উপায় Ways Of supporting Your Wi-Fi Signal at Home: বিনা খরচে বাড়িতে ইন্টারনেটের স্পিড বাড়াতে চান ? দেখে নিন সহজ উপায় Ways Of supporting Your Wi-Fi Signal at Home: বিনা খরচে বাড়িতে ইন্টারনেটের স্পিড বাড়াতে চান ? দেখে নিন সহজ উপায় Ways Of supporting Your Wi-Fi Signal at Home: বিনা খরচে বাড়িতে ইন্টারনেটের স্পিড বাড়াতে চান ? দেখে নিন সহজ উপায় Step by step instructions to get quicker web at home free of charge | হাই-স্পিড ইন্টারনেটেরই ঠিকঠাক স্পিড পেতে গিয়ে অনেক সময়েই ইউজারদের সমস্যায় পরতে হয় SHARE THIS: NEWS18 BANGLA LAST UPDATED: MARCH 25, 2022, 14:56 IST Ways Of helping Your Wi-Fi Signal at Home: গত দু'বছরে করোনা অতিমারীর আবহে 'ওয়ার্ক ফ্রম হোম' (Work From Home) বা বাড়ি থেকে কাজ করার রীতি এখন অভ্যেসে পরিণত হয়েছে। তাই বাড়িতে ইন্টারনেট পরিষেবা ভাল হওয়ার যে দরকার তা হাড়ে হাড়ে বুঝেছে মানুষ। শুধু অফিসের কাজ নয়, বদলে যাওয়া দুনিয়ায় বাচ্চাদের পড়াশোনার জন্যও দরকার দ্রুত ইন্টারনেট। বাড়ি থেকে কাজ করার জন্য প্রয়োজন একটি হাই-স্পিড ইন্টারনেট (High velocity web) কানেকশন। সেই হাই-স্পিড ইন্টারনেটেরই ঠিকঠাক স্পিড পেতে গিয়ে অনেক সময়েই ইউজারদের সমস্যায় পরতে হয়। এর জন্য ইন্টারনেটের স্পিড (High speed web) বাড়ানোর দরকার হয়। ইন্টারনেটের স্পিড বাড়ানো যেতে পারে বিনামূল্য। এর জন্য ইন্টারনেট স্পিড বাড়ানোর সঠিক পদ্ধতিগুলিও জেনে রাখা দরকার (How to get quicker web at home for free)। এক নজরে দেখে নিন ফ্রিতে ইন্টারনেট স্পিড বাড়ানোর কয়েকটি উপায় (Ways to Boost Your Wi-Fi Signal)। আরও পড়ুন - এক নজরে দেখে নিন WhatsApp এর ফন্ট সাইজ পরিবর্তন করার উপায় সম্পর্কিত খবর এখন অ্যান্ড্রয়েডেও iPhone-এর ফিচার! কী ভাবে পাবেন সুবিধা, রইল হদিশ এখন অ্যান্ড্রয়েডেও iPhone-এর ফিচার! কী ভাবে পাবেন সুবিধা, রইল হদিশ PDF ফাইলকে Word ডকুমেন্টে বদলাতে চান, সহজ পদ্ধতিতে বদলে ফেলুন নিজের নথি PDF ফাইলকে Word ডকুমেন্টে বদলাতে চান, সহজ পদ্ধতিতে বদলে ফেলুন নিজের নথি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো প্রোফাইল ফটো চিনবেন সহজে, সাহায্য করবে গুগল সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো প্রোফাইল ফটো চিনবেন সহজে, সাহায্য করবে গুগল এবার YouTube-এ দেখুন হাজারেরও বেশি সিনেমা এবং টিভি শো বিনামূল্যে, কীভাবে ? জানুন এবার YouTube-এ দেখুন হাজারেরও বেশি সিনেমা এবং টিভি শো বিনামূল্যে, কীভাবে ? জানুন এখন অ্যান্ড্রয়েডেও iPhone-এর ফিচার! কী ভাবে পাবেন সুবিধা, রইল হদিশ এখন অ্যান্ড্রয়েডেও iPhone-এর ফিচার! কী ভাবে পাবেন সুবিধা, রইল হদিশ PDF ফাইলকে Word ডকুমেন্টে বদলাতে চান, সহজ পদ্ধতিতে বদলে ফেলুন নিজের নথি PDF ফাইলকে Word ডকুমেন্টে বদলাতে চান, সহজ পদ্ধতিতে বদলে ফেলুন নিজের নথি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো প্রোফাইল ফটো চিনবেন সহজে, সাহায্য করবে গুগল সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো প্রোফাইল ফটো চিনবেন সহজে, সাহায্য করবে গুগল এবার YouTube-এ দেখুন হাজারেরও বেশি সিনেমা এবং টিভি শো বিনামূল্যে, কীভাবে ? জানুন এবার YouTube-এ দেখুন হাজারেরও বেশি সিনেমা এবং টিভি শো বিনামূল্যে, কীভাবে ? জানুন এখন অ্যান্ড্রয়েডেও iPhone-এর ফিচার! কী ভাবে পাবেন সুবিধা, রইল হদিশ এখন অ্যান্ড্রয়েডেও iPhone-এর ফিচার! কী ভাবে পাবেন সুবিধা, রইল হদিশ PDF ফাইলকে Word ডকুমেন্টে বদলাতে চান, সহজ পদ্ধতিতে বদলে ফেলুন নিজের নথি PDF ফাইলকে Word ডকুমেন্টে বদলাতে চান, সহজ পদ্ধতিতে বদলে ফেলুন নিজের নথি শহরে ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় বসবাস করলে Wi-Fi চ্যানেল পরিবর্তন করুন। অনেক সময় একাধিক রাউটারে একই ফ্রিকোয়েন্সি থাকার কারণে ইন্টারনেটের স্পিড কমে যার। তার জন্য শুরুতেই স্মার্টফোনে Wifi Analyzer অ্যাপ ইন্সটল করে দেখে নিন প্রতিবেশীরা কোন চ্যানেলে Wi-Fi ব্যবহার করছেন। এ বার ফাঁকা রয়েছে এমন একটি চ্যানেল বেছে নিয়ে রাউটারের চ্যানেল সেখানে সেট করুন। ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ ডেটা ব্যবহার করতে থাকলে, একদিকে যেমন ইন্টারনেটের স্পিড (Internet Speed) কমে, অন্য দিকে আবার নষ্ট হতে থাকে ডেটা। ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ ডেটা বন্ধ করতে প্রথমেই Settings-এ গিয়ে, Privacy সিলেক্ট করুন। তার পরে বাঁ দিকে স্ক্রোল করে Background Apps সিলেক্ট করুন এবং সার্ভিসগুলি বন্ধ করে দিন। আরও পড়ুন - খুব শীঘ্রই আসছে UPI Lite, এবার অফলাইনে করা যাবে লেনদেন এ ছাড়াও Windows 10-এর আপডেট নিয়মিত আসতে থাকে। আপনার অজান্তে স্বয়ংক্রিয় �


২৬ মার্চ, ২০২২

ফেসবুক হ্যাকিং থেকে বাঁচার সহজ উপায়

 বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর মধ্যে ফেসবুক সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। সারাবিশ্বে এর ব্যবহারকারীর সংখ্যা কয়েক কোটি। প্রচলিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় ফেসবুক।



আমরা বলতে গেলে সবাই acebook  চালাই।


কারণ ফেসবুক দিয়ে কারো সাথে যোগাযোগ করা যেমন সহজ তেমনি ফেসবুক অন্য সোশ্যাল মিডিয়াগুলো থেকে অনেক বেশি সুরক্ষিত। তারপরও ইউজারের নানা ভুলের কারণে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হতেই পারে।

২০১৯ সালে ৫৩ কোটির বেশি ফেসবুক ব্যবহারকারীর তথ্য চুরি হয়ে যায়। গত বছরের এপ্রিল মাসে সেসব তথ্য একটি হ্যাকিং ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। সেখানে ব্যবহারকারীদের ফোন নম্বর ও ইমেইল প্রকাশ করা হয়।

এরপর ফেসবুকের নিরাপত্তা বাড়াতে ও হ্যাকিং ঠেকাতে গত বছর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে ফেসবুক। আগে এসব নিরাপত্তার ব্যবস্থা ঐচ্ছিক থাকলেও এখন সবাইকেই বাধ্যতামূলকভাবে ব্যবহার করতে হচ্ছে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে, সব অ্যাকাউন্টে গুগল অথেনটিকেশন অ্যাপ ব্যবহার করা। একটি অ্যাপের মাধ্যমে নতুন কোন ডিজিটাল ডিভাইসে ফেসবুক লগইন করার সময় মোবাইলে থাকা অ্যাপ থেকে কোড দিতে হবে।

এর পাশাপাশি টেক্সট ম্যাসেজ অপশনটি রাখা যায়। কোন কারণে গুগল অথেনটিকেশন অ্যাপ কাজ না করলে মোবাইলের নম্বরে একটি কোড পাঠাবে ফেসবুক। তখন সেটি প্রবেশ করিয়ে লগইন করা যাবে। এর বাইরে সিকিউরিটি কি ডিভাইস ব্যবহার করা যায়। তবে সেটা তৃতীয় কোন পক্ষের কাছ থেকে কিনে ফেসবুকে রেজিস্টার করিয়ে নিতে হবে। সূত্র: বিবিসি

২৫ মার্চ, ২০২২

কোন বয়সে কতটা ঘুম দরকার

 নিজেকে ফিট রাখতে সুষম খাবারের সঙ্গে পর্যাপ্ত ঘুমটাও কিন্তু সমান জরুরি। পেশাগত কারণেই আজকাল অনেকের সেই ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে। যতটা ঘুমের প্রয়োজন, তার আটআনাও হয় না, ষোলোআনা হওয়াতো দূরের কথা। আবার ছোটদের ক্ষেত্রে পড়াশোনার চাপেও ঘুম কম হয়। দীর্ঘদিন এ ভাবে চলতে থাকলে, শরীরে নানাবিধ জটিল অসুখ কিন্তু বাসা বাধবে।



জাননে কি, কোন বয়সে কতটা ঘুম প্রয়োজন? কেউ বলেন আট ঘণ্টা। কারও মতে সাত ঘণ্টা। কেউ আবার বলেন, ১০ ঘণ্টা। নানা মুনির নানা মত। সম্প্রতি মার্কিন স্লিপ ফাউন্ডেশন এক গবেষণা রিপোর্টে বয়স ধরে ধরে পর্যাপ্ত ঘুমের হিসেব কষে দিয়েছে।



১. বয়স: ০ থেকে ৩ মাস কতক্ষণ ঘুমোনো প্রয়োজন: ১৪ থেকে ১৭ ঘণ্টা ২. বয়স: ৪ থেকে ১১ মাস কতক্ষণ ঘুমোনো প্রয়োজন: ১২ থেকে ১৫ ঘণ্টা


৩. বয়স: ১ থেকে ২ বছর কতক্ষণ ঘুমোনো প্রয়োজন: ১১ থেকে ১৪ ঘণ্টা ৪. বয়স: ৩ থেকে ৫ বছর কতক্ষণ ঘুমোনো প্রয়োজন: ১০ থেকে ১৩ ঘণ্টা

৫. বয়স: ৬ থেকে ১৩ বছর কতক্ষণ ঘুমোনো প্রয়োজন: ৯ থেকে ১১ ঘণ্টা

৬. বয়স: ১৪ থেকে ১৭ বছর কতক্ষণ ঘুমোনো প্রয়োজন: ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা ৭. বয়স: ১৮ থেকে ৬৪ বছর কতক্ষণ ঘুমোনো প্রয়োজন: ৭ থেকে ৯ ঘন্টা

৮. বয়স ৬৫+ কতক্ষণ ঘুমোনো প্রয়োজন: ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা


Refrigerated Food: মাছ-মাংস-শাক, আদা-রসুনের পেস্ট ফ্রিজে রেখে খাচ্ছেন? চরম ক্ষতি হচ্ছে শরীরের! জানুন কি করবেন

 Refrigerated Food: ফ্রিজের খাবার খেয়ে নিজের কী ক্ষতি করছেন জানেন? ফ্রিজের খাবার খান সঠিক ভাবে।


বর্তমান সময়ে আমরা প্রায় সকলেই খাবার ফ্রিজে রেখে খাই। সপ্তাহে এক দিন বাজার করে সেই বাজার ফ্রিজে রেখে দেওয়া হয়। আবার এক দিন রান্না করে সেই খাবার ফ্রিজে রেখে তিন-চার দিন ধরে খাওয়া হয়। কিন্তু জানেন কী এতে ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে শরীরের। 


প্রথমত ফ্রিজের খাবার বেশিদিন রেখে খেলে তার স্বাদ চলে যায়। তাছাড়া এই খাবের ব্যাকটেরিয়া জমে। যা আমরা না বুঝেই খেয়ে ফেলি। এর ফলে ডাইরিয়া, পেটের ইনফেকশন, জন্ডিস পর্যন্ত হতে পারে।


কাঁচা মাছ মাংস বেশি দিন ফ্রিজে রাখলেই বিপদ। রান্নার সময় কিছুটা মাছ বা মাংস বের করে নিয়ে বাকিটা ফের ফ্রিজে রেখে দেওয়া হয়। এই মাছ মাংসে ব্যাকটেরিয়া বাসা বাঁধে। না বুঝেই সেই খাবার খেয়ে ভয়ঙ্ক ক্ষতি হচ্ছে শরীরের।

মাছ বা মাংস ফ্রিজে রাখলে সেগুলি আলাদা কন্টেনারে রাখুন। এতে কিছুটা হলেও ব্যাকটেরিয়া কম ছড়াবে। এবং চেষ্টা করুন দু থেকে তিন দিনের মধ্যে সেগুলি শেষ করার।

গরম খাবার ফ্রিজে রাখবেন না। এতে যেমন ফ্রিজের কমপ্রেসারে চাপ পড়ে। আবার অনেক সময় পচেও যায়। তবে একেবারে ঠান্ডা না করে, হালকা গরম অবস্থায় খাবার ফ্রিজে রাখুন।

আদা রসুনের পেস্ট ফ্রিজে অনেকেই রাখেন। এই কাজ একদম করবেন না। দু'দিন পরেই এই আদা-রসুনের পেস্টে সব থেকে বেশি ছত্রাক বাসা বাঁধে। মারাত্মক ক্ষতি হবে শরীরের।

শাক-সবজি একদম ফ্রিজে রেখে খাবেন না। কারণ ফ্রিজে রাখলেই তার থেকে ভিটামিন ও মিনারেল কমে যায়। সেই শাক খাওয়া ক্ষতিকর।


২৪ মার্চ, ২০২২

Silver Hair : চুল সব পেকে যাচ্ছে এক এক করে? এখনই ডায়েটে এই খাবারগুলি রাখুন

 এখন আর বয়স মেনে চুল পাকে না। পেটের কোনও সমস্যা হলেও চুল পাকতে বেশি সময় লাগে না।


অল্প বয়সেই যদি মাথার ফাঁক থেকে পাকা চুল উঁকি মারে তাহলে সাজটাই মাটি। এই সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। এখন আর বয়স মেনে চুল পাকে না। পেটের কোনও সমস্যা হলেও চুল পাকতে বেশি সময় লাগে না। তাই ডায়েটে বিশেষ নজর দেওয়া উচিত।


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডায়েটই এই সমস্যার সমাধান করে দিতে পারে অনেকটাই। একবার চুল পাকতে শুরু করলে এই সমস্যা থেকে বেরোনো বেশ কঠিন। তাই জেনে নিন কোন ডায়েট মেনে চলবেন।

১) ডার্ক চকোলেটে যথেষ্ট পরিমাণে আয়রম ও কপার থাকে। এই দুই উপাদান চুল পাকা রোধ করতে পারে। মুখেও বয়সের ছাপ সহজে পড়তে দেয় না। শরীরে কপারের মাত্রা বেশি থাকলে এই সমস্যা এড়াতে পারবেন।


২) স্যামন মাছে থাকে ভিটামিন ডি। চুলের রঙের পিগমেন্টেশনে এটি সাহায্য করে। ভিটামিন ডি-র অভাব থাকলে চুল তাড়াতাড়ি সাদা হয়ে যায়। এতে ওমেগা ৩ এবং প্রোটিন আছে যা চুলে পাক ধরাতে বাধা দেয়।


৩) ডিমের সাদা অংশে থাকে প্রোটিন। তবে কুসুম সুদ্ধ গোটা ডিমেও অনেক গুণ থাকে। এর মধ্যে থাকে ভিটামিন বি১২। তাই গোটা ডিম খেলে সহজেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

৪) হজমের সমস্যার জন্য প্রোবায়োটিক খুবই উপকারী। অরগ্যানিক খাবারের মধ্যে খাদ্যগুণ বেশিই থাকে। পাকা চুলের সমস্যা মেটাতে এই ডায়েট মেনে চলতে হবে।

৫) কমলালেবু খুবই ভালো চুলে পাক ধরা আটকাতে। এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে থাকে ভিটামিন সি যা কোলাজেন প্রোটিন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।


২২ মার্চ, ২০২২

জিমেইলে অটো রিপ্লাই ইমেইল সেট করার নিয়ম

 ইমেইল ব্যবহার করেন অথচ অটোমেটেড ইমেইল এর দেখা পাননি, এমন মানুষ হয়ত খুঁজে পাওয়া যাবেনা। কনফার্মেশন থেকে শুরু করে রিকমেন্ডেশন পর্যন্ত বিভিন্ন বিষয়ে অসংখ্য অটোমেটেড ইমেইল আমাদের ইনবক্সে খুঁজলেই পাওয়া যাবে। খুব সহজে দুই ধাপের প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আপনিও চাইলে অটোমেটেড ইমেইল এর ফিচার ব্যবহার করতে পারবেন।
















মূলত এই প্রক্রিয়াতে প্রথমে একটি ইমেইল তৈরী করে সেটিকে টেমপ্লেট হিসেবে সেভ করা হবে। এরপর একটি ফিল্টার সেট করে উক্ত ইমেইল নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে সেন্ড করার ব্যবস্থা করতে হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে জিমেইল এর মাধ্যমে অটোমেটিক ইমেইল রিপ্লাই সেট করবেন।

ইমেইল টেমপ্লেট তৈরী


জিমেইল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ইমেইল টেমপ্লেট তৈরী ও ব্যবহার করা যাবে। তবে এখনো জিমেইল এর মোবাইল অ্যাপে এই ফিচারটি আসেনি। প্রথমেই আমরা জানব কিভাবে জিমেইল এ টেমপ্লেট তৈরী করতে হয়।


জিমেইল এ টেমপ্লেট ব্যবহার করতে প্রথমে সেটিংস থেকে ফিচারটি চালু করতে হবে। যেহেতু এটি একটি বাড়তি সুবিধা, এবং এটি তেমন একটা সচরাচর ব্যবহৃত হয়না, তাই ডিফল্টভাবে এটি চালু থাকেনা। অটো-রিপ্লাই দেওয়ার জন্য টেম্পলেট দরকার। তাই আমাদের প্রথমেই অপশনটি চালু করতে হবে। ফিচারটি চালু করতে প্রথমে জিমেইল এর ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন। ডানদিকের টপ কর্নারে থাকা গিয়ার আইকনে ক্লিক করুন। এরপর প্রদর্শিত সাইডবার থেকে "See All Settings" সিলেক্ট করুন।

Advanced ট্যাবে প্রবেশ করুন ও Templates এর পাশে থাকা অপশনটি Enable করে দিন। এরপর “Save Changes” অপশনে ক্লিক করুন। উক্ত ওয়েব পেজ রিফ্রেশ হবে ও সেটিংস সেভ হয়ে যাবে।

এরপর আসে ইমেইল টেমপ্লেট কম্পোজ এর পালা। সাধারণ ইমেইল কম্পোজ করার মত বামদিকের টপ কর্নারে থাকা "Create" বাটনে ক্লিক করুন। এরপর ইমেইল এর সাবজেক্ট লাইন ও বডি লাইন লিখুন। টেমপ্লেট ইমেইল লেখা শেষ করার পর ডানদিকে নিচের দিকে থাকা থ্রি ডটে ক্লিক করুন। এরপর Formats অপশনের উপর মাউস কার্সর নিয়ে গিয়ে প্রথমে Save Draft as Template ও এরপর Save as New Template সিলেক্ট করুন। এরপর ইমেইল টেমপ্লেটের একটি নাম দিয়ে Save করুন।


ব্যাস! ইমেইল টেমপ্লেট তৈরী হয়ে গেলো। এবার চাইলে টপ কর্নারে থাকা X এ ক্লিক করে ইমেইল ক্লোজ করে দিতে পারেন।


অটোমেটেড ফিল্টার সেটাপ


ইমেইল টেমপ্লেট তৈরির পর এবার ইমেইল অটোমেটিক সেন্ড হওয়ার জন্য ফিল্টার সেট করতে হবে। এবার আমরা জানবো কিভাবে জিমেইলে অটোমেটিক রিপ্লাই এর জন্য ফিল্টার সেটাপ করতে হয়। প্রথমে ডানদিকের টপ কর্নারে থাকা গিয়ার আইকন ও এরপর "See All Settings" অপশন সিলেক্ট করে জিমেইল সেটিংসে প্রবেশ করুন। এবার Filters and Blocked Addresses ট্যাবে ক্লিক করুন। এরপর নিচের দিকে থাকা "Make a New Filter" সিলেক্ট করুন।


কোন ইমেইলসমূহের অটোমেটিক রিপ্লাই যাবে তা আপনার সুবিধামত সিলেক্ট করুন। যেমনঃ Has The Words অপশন ব্যবহার করে ইমেইল এ নির্দিষ্ট কোনো শব্দ থাকলে উক্ত ইমেইলসমূহের জন্য ফিল্টার সেট করা যাবে। ফিল্টার তৈরী করতে "Make Filter" অপশনে ক্লিক করুন।

এরপর ম্যাচিং ইমেইল এর জন্য কি অ্যাকশন প্রযোজ্য হবে, তার অপশন দেখতে পাবেন। Send Template বক্সে চেক মার্ক দিন ও ড্রপ ডাউন লিস্ট হতে প্রথম ধাপে তৈরি করা ইমেইল টেমপ্লেট সিলেক্ট করুণ। এছাড়া কোনো বাড়তি একশন গ্রহণ করতে চাইল তা এখান থেকেই করতে পারবেন। যেমনঃ আপনি যদি চান উক্ত ইমেইলসমূহে নির্দিষ্ট লেবেল লাগাতে, তা এই পেজ থেকে করতে পারবেন। কাজ শেষ হলে "Make Filter" অপশনে ক্লিক করুন।

উল্লেখিত প্রক্রিয়া সঠিকভাবে অনুসরণ করে অটোমেটিক ইমেইল রিপ্লাই চালু হয়ে যাবে আপনার জিমেইল ইমেইল এড্রেস। চাইলে অন্য ইমেইল একাউন্ট থেকে একটি ইমেইল আপনার একাউন্টে পাঠিয়ে চেক করে নিতে পারেন। ইমেইল পাঠানোর পর আপনার একাউন্ট থেকে অটোমেটিক রিপ্লাই ইমেইল আসলে বুঝবেন অটোমেটিক ইমেইল রিপ্লাই ফিচারটি সঠিকভাবে কাজ করছে।


সকালে উঠে খালি পেটে চা খাচ্ছেন , শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করছেন নিজেই

রোজই ঘুম থেকে উঠে সকালে চা খাওয়ার অভ্যাস , নিজেই নিজেই শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করে ফেলছেন
h খালি পেটে চা খেলে খিদের ইচ্ছা চলে যায়(Sound Lifestyle)৷ এইভাবে চা (tea) খেলে বহু ঘণ্টা না খেলেও চলে৷ এর ফল মারাত্মক শুরু হয় গ্যাসের সমস্যা৷ শুরু হয়ে পেটে অ্যাসিডিটির সমস্যা৷ Photo-Representative
সকালে খালি পেটে কড়া চা খেলে পেটের ভিতরের ঝিল্লির ক্ষতি হয়৷ দীর্ঘদিন ধরে এই বিষয়টি করে গেলে আলসার অর্থাৎ ঘা এবং অ্যাসিডিটি-র সমস্যা শুরু হয়েছে৷ Photo- Representative
দুর্বল হয়ে যায় হাড়- খালি পেট চা খেলে কিছু বছরের মধ্যে শরীরে জয়েন্ট পেন শুরু হয়ে যায়৷ সময় যত যায় তত হাড় দুর্বল হয়ে যায়৷ Photo-Representative
রাতভর ঘুমের ফলে শরীরে লম্বা সময় অবধি জল প্রবেশ করে না৷ এর ফলে শরীর ডি হাইড্রেট হয়ে পড়ে৷ এরমধ্যে শরীরে ক্যাফিন প্রবেশ করলে ডিহাইড্রেশনের সমস্যা হয়৷ Photo-Representative
পুরুষদের প্রস্টেটের সমস্যা সকালে খালি পেটে চা খেলে পুরুষদের মধ্যে প্রস্টেট সংক্রান্ত সমস্যা হয়৷ঘুমের সমস্যা বেশি চা খেলে অনিদ্রা সংক্রান্ত সমস্যাও হয়৷
এতে মানুষ খিটখিটে স্বভাবের হয়ে যায় আর সব সময় ক্লান্ত অনুভব করে৷মেটাবলিজম - এতে শরীরে অ্যাসিড ও অ্যালকেলাইন ব্যালান্স নষ্ট হয়ে যায়৷
তাতে রোজকার মেটাবলিজম ঘেঁটে যায়৷পুষ্টির অভাব- যদি সকালে খালি পেটে চা খান তাহলে শরীরে পোষক তত্ত্বের শোষণ হওয়া বন্ধ হয়ে যায়৷খালি পেটে চা খেলে শরীরে অ্যাসিডিটি হয়ে যায় এবং দাঁতের এনামেল খারাপ হয়ে যায়৷ এর থেকে মাড়ির সমস্যাও হয়ে যায়৷

প্রতিদিন কলা কেন খাবেন?

কলার উপকারিতা সমূহ: 

 * কলা বিষণ্ণতা হ্রাস করতে সহায়তা করে। প্রতিদিন দুটি কলা খেলে এই প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়। কলার উপাদান মস্তিষ্কে সুখী হরমোনের নিঃসরণ বাড়ায়।

* কলার মধ্যে থাকা আয়রন রক্তকণিকা ও হিমোগ্লোবিন তৈরিতে কাজ করে। আয়রনের ঘাটতিতে রক্তস্বল্পতা হয়। দিনে দুটি করে এক মাস কলা খেলে রক্তের ঘাটতি অনেকটাই পূরণ হবে।

* কলা রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়িয়ে গর্ভাবস্থায় সকালের ক্লান্তি ভাব দূর করে। এছাড়াও গর্ভাবস্থায় প্রতিদিন কলা খাওয়া ভালোভাবে প্রসব হওয়ার জন্য উপকার পাওয়া যায়।

 * শরীরের ভেতরের উপকার ছাড়াও বাইরের সৌন্দর্যের জন্যও কলা উপকারি। এছাড়া হলুদ রং-এর কলা এনার্জি এনে দেয় এবং পাকস্থলীকে সক্রিয় রাখে।

 * অতিরিক্ত জ্বর কিংবা হঠাৎ ওজন কমে গেলে কলা শরীরে শক্তির সঞ্চার করে এবং তাড়াতাড়ি দুর্বলতা কাটায়। 

 * কলায় কম সোডিয়াম এবং উচ্চ মাত্রায় পটাশিয়াম রয়েছে। এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রেখে হার্টের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন দুটি কলা খেলে ৪০ শতাংশ হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। এছাড়া পটাশিয়াম থাকার হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য কলা একটি উপকারী ফল। 

 * দাঁতের উপরে থাকা ময়লা ও দাগ দূর করতে কলারে জুড়ি নেই। মিনারেলে ভরপুর কলার খোসা প্রায় দুই মিনিট ধরে দাঁতের উপর ঘষলে দাঁতকে সাদা ঝকঝকে করে তুলতে পারে।

 * কলায় উপস্থিত ভিটামিন বি৬, বি১২, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম শরীরে নিকোটিনের প্রভাব দূর করতে সাহায্য করে। তাই ধূমপান ছাড়তে হলে কলা বেশ উপকারি। * কলা ক্ষুধাকে নিয়ন্ত্রণ করে। ব্যালেন্সড-ডায়েটের অংশ হিসেবে কলা খেলে ক্ষুধা কমে যায়। কলায় থাকা রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ নামক ফাইবার কম ক্যালরি খেতে ও ক্ষুধাকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। * কিডনির সুস্থতার জন্যও কলা উপকারি। প্রতিদিন একটি কলা খেলে কিডনির সমস্যা নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন নাও হতে পারে। কলায় থাকা পটাশিয়াম শরীর থেকে বাড়তি ক্যালসিয়াম বের করে দেয়। ক্যালসিয়াম হলো কিডনি পাথরের অন্যতম বিল্ডিং ব্লক।

মোবাইলের জন্য সেরা ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার ২০২২

 আসসালামুআলাইকুম। আশা করি সবাই ভালো আছেন। আজকে আমি আলোচনা করব মোবাইলের জন্য সেরা ১০টি ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার নিয়ে। বিভিন্ন সময় আমাদের টুকটাক ভিডিও এডিটিং করার জন্য অথবা প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং করার জন্য মোবাইলে ভিডিও এডিট করতে হয়। একটি ভিডিওর কোয়ালিটি অনেকটাই নির্ভর করে তার এডিটিং এর উপর।আপনি যদি একজন নতুন ইউটিউবার হয়ে থাকেন তাহলে খুব সুন্দর এডিট এর মাধ্যমেই আপনি আপনার অডিয়েন্স দের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারবেন। কেননা বাজে ভিডিও এডিটিং সবারই চোখে পড়ে। কিন্তু আপনার এডিটিং যদি হাই লেভেলের হয় তাহলে অডিয়েন্স আপনার ভিডিওতে একদম ডুবে থাকবে। আর ভালো ভিডিও এডিটিং এর জন্য প্রয়োজন একটি ভালো ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার। তাই আজকে আমি ১০ টি জনপ্রিয় ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার নিয়ে আলোচনা করব। এখান থেকে আপনি আপনার প্রয়োজন এবং পছন্দ অনুযায়ী যে কোন একটি ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার সিলেক্ট করে নিতে পারেন। এই ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার এর লিস্টে ফ্রি ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার এর পাশাপাশি প্রিমিয়াম ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যারও থাকবে। কিন্তু আপনারা চাইলেই প্রিমিয়াম ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যারগুলোর মোড ভার্সন অনলাইন থেকে সহজেই ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।


শুরুতেই সফটওয়্যার গুলোর লিস্ট দেখে নেওয়া যাকঃ 1:Wondershare Filmora 

2:InShot 

3:WeVideo 

4:Adobe Premiere Rush 

5:picPlayPost 

6:VideoShow 

7:PowerDirector

8:KineMaster 

9:VivaVideo 

10:Quic

উপরে উল্লেখিত সফটওয়্যার গুলোর সাহায্যে আপনি খুব সহজে এবং অল্প সময়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে আপলোড করার মতো ভিডিও এডিট করতে পারবেন। এবার চলুন সফটওয়ারগুলোর সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক এবং এদের ভালো মন্দ বিষয়ে জানা যাক।


1:wondershare filmora



আপনি যদি ভিডিও এডিটিং জগতে নতুন হয়ে থাকেন তাহলে Wondershare Filmora আপনার জন্য একদম পারফেক্ট। এই সফটওয়্যার টি তে রয়েছে একদম বেসিক থেকে এডভান্স লেভেলে ভিডিও এডিটিং ফিচার। সফটওয়্যারটিতে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের জন্য ভিডিওর সাইজের রিসেট দেওয়া আছে। যার ফলে খুব সহজেই একটি পারফেক্ট সাইজ এর ভিডিও আপনি এডিট করতে পারবেন। আপনারা চাইলে এই সফটওয়্যারটি আপনাদের উইন্ডোজ অথবা মেক পিসিতেও ব্যবহার করতে পারবেন। গুগল প্লে স্টোর থেকে সফটওয়্যার টি বিনামূল্যে ডাউনলোড করতে পারবেন। গুগল প্লে স্টোর থেকে এই সফটওয়্যারটি এখন পর্যন্ত মোট ৫০ মিলিয়নেরও বেশি বার ডাউনলোড করা হয়েছে।

2:Inshot


বর্তমানে স্মার্টফোনে ভিডিও এডিটিং করার জন্য সেরা সফটওয়্যার গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি সফটওয়্যার হল InShot। খুব কম বাজেটের ফোনেও InShot দিয়ে খুব ভালোভাবে ভিডিও এডিটিং করা যায়। তাছাড়া InShot এ রয়েছে অসংখ্য ইফেক্ট এবং এনিমেটেড গ্রাফিক্স যেগুলো আপনি আপনার ভিডিওতে ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনার ভিডিওকে হাই লেভেলে নিয়ে যেতে পারবেন। বর্তমানে ফেসবুকের বিভিন্ন পেজ এবং গ্রুপে যে সকল ভিডিও গুলো দেখতে পাওয়া যায় সেগুলোর প্রায় বেশিরভাগ ভিডিওই InShot দিয়ে এডিট করা। তাছাড়া একটি ফ্রি ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার হিসেবে InShot এ রয়েছে এড দেখে ওয়াটারমার্ক রিমুভ করার সুবিধা। এই সফটওয়্যারটি গুগল প্লে স্টোর থেকে ১০০ মিলিয়নেরও বেশি বার ডাউনলোড করা হয়েছে। এবং ইউজার রিভিউ হচ্ছে ৪.৫ স্টার। এই অ্যাপটির প্রেমিয়াম ভার্শন আপনারা অনলাইনে খুঁজে পেয়ে যাবেন।

3:weVideo


আমাদের লিস্টের তৃতীয় নাম্বার ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার টির নাম হল WeVideo। এই সফটওয়্যার টি সম্পর্কে অনেকেই হয়তো এখনো জানেন না আবার হয়তো অনেকে জেনে থাকবেন। এটি একটি ক্লাউড বেইজড ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার। অর্থাৎ, ডিভাইসে ইন্সটল না করে ওয়েব ব্রাউজার থেকে এটি দ্বারা ভিডিও এডিট করতে পারবেন। ক্লাউড বেইজড হাওয়াই এই সফটওয়ারটিতে আপনারা আপনাদের গুগোল ড্রাইভ একাউন্ট এড করে রাখতে পারবেন এবং এডিট করা ভিডিও গুগল ড্রাইভে সরাসরি আপলোড করে ফেলতে পারবেন। তাছাড়া আপনারা চাইলে আপনাদের ইউটিউব চ্যানেল এই ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার এর সাথে কানেক্ট করে রাখতে পারবেন ফলে ভিডিও এডিট শেষ হলে সরাসরি ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করে ফেলতে পারবেন। সফটওয়্যারটি ব্রাউজার থেকে ব্যবহার করতে চাইলে WeVideo এর ওয়েবসাইটে চলে যান

4:Adobe Premiere Rush




Adobe Premiere Rush হলো এডোবি সিস্টেম ইনকর্পোরেশন এর একটি এন্ড্রয়েড ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার। আপনারা যদি পূর্বে এডোবি এর কোন সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকেন তাহলে অবশ্যই জেনে থাকবেন যে এডোবি এর সফটওয়্যার গুলো কতটা প্রিমিয়াম হয়। এই সফটওয়্যারটিও তার ব্যতিক্রম নয়। এই সফটওয়ারটিতে ভিডিও এডিটিং এর জন্য সকল প্রিমিয়াম ফিচার পেয়ে যাবেন এবং একটি হাই কোয়ালিটি ভিডিও এডিট করার জন্য যে সকল টুলস এর প্রয়োজন হয় তার সবগুলোই এই সফটওয়ারে রয়েছে। তাছাড়া এই সফটওয়্যারটির ইউজার ইন্টারফেস বেশ ভালো। যার ফলে খুব সহজেই ভিডিও এডিটিং করতে পারবেন। কিন্তু যেহেতু এটি একটি হাই কোয়ালিটির ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার তাই এটির সাইজও তুলনামূলক অন্য সফটওয়্যার গুলোর থেকে একটু বেশি। আর এই সফটওয়্যারটির প্রেমিয়াম ভার্শন দিয়ে 4K ভিডিও এক্সপোর্ট করতে পারবেন। প্লে স্টোর থেকে এই অ্যাপটি ডাউনলোড


5:picPlayPost 


প্রায় সময়ই আমাদের একাধিক ভিডিও নিয়ে কোলাজ ভিডিও এবং স্লাইড শো ভিডিও তৈরি করতে হয়। এমন এডিটিং এর ক্ষেত্রে PicPlayPost একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার। আমরা প্রায় সময়ই ইনস্টাগ্রামে অথবা ফেসবুকে বিভিন্ন ধরনের কোলাজ ভিডিও দেখে থাকি। এরকম ভিডিও যদি আপনিও তৈরী করতে চান তাহলে PicPlayPost সফটওয়্যারটি দিয়ে সহজেই তৈরি করতে পারবেন। তাছাড়া এই সফটওয়্যারটির মাধ্যমে Gifs তৈরি করতে পারবেন আর ম্যাক্সিমাম 4K পর্যন্ত ভিডিও এক্সপোর্ট করতে পারবেন। ভালো বৈশিষ্ট্যের পাশাপাশি এই সফটওয়্যারটির কিছু মন্দ দিকও রয়েছে। যেমনঃ অধিকাংশ ফিচারই ব্যবহার করার জন্য আপনাকে এই অ্যাপটির প্রেমিয়াম ভার্শন ব্যবহার করতে হবে এবং প্রিমিয়াম ভার্সন ব্যবহার না করলে ভিডিওর মধ্যে ওয়াটারমার্ক আসবে। এই সফটওয়্যারটি গুগল প্লে স্টোর থেকে সর্বমোট ৫ মিলিয়নেরও বেশি বার ইনস্টল করা হয়েছে।


6:VideoShow



আমাদের লিস্টের ৬ নাম্বারের সফটওয়্যার টির নাম VideoShow। এই সফটওয়্যারটির সাহায্যে ভিডিও এডিটিং এর পাশাপাশি আরও অনেক ধরনের কাজ করতে পারবেন। যেমনঃ এই অ্যাপটির সাহায্যে কোন ভিডিও থেকে অডিও কে আলাদা করতে পারবেন, ভিডিওর সাইজ কম্প্রেড করতে পারবেন, অডিওর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ইফেক্ট দিতে পারবেন, রিভার্স ভিডিও তৈরি করতে পারবেন ইত্যাদি। আর এই সফটওয়্যারটিতেও রয়েছে আকর্ষণীয় সব গ্রাফিক্স, এনিমেটেড ভিডিও, ইমোজি ইত্যাদি। এই সফটওয়্যারটির সাহায্যে 4K এর পাশাপাশি 60FPS এ ভিডিও এক্সপোর্ট করতে পারবেন। এই সফটওয়্যারটির ৪০০ মিলিয়নেরও বেশী ইউজার রয়েছে এবং প্লে স্টোর থেকে ১০০ মিলিয়নেরও বেশি বার ইনস্টল করা হয়েছে। স্মার্ট ফোন দিয়ে ব্লগিং করার জন্য এবং ব্লগিং ভিডিও এডিট করার জন্য এই সফটওয়্যারটি একদম পারফেক্ট।


7:PowerDirector




স্মার্টফোনে ভিডিও এডিটিং করার জন্য জনপ্রিয় একটি সফটওয়্যার হলো PowerDirector। এই সফটওয়্যার টি সম্পর্কে অনেকেই হয়তো ইতিমধ্যে অবগত আছেন। এই সফটওয়্যারটি ব্যবহার করার সময় একটি প্রিমিয়াম ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার ফিল পাবেন। গ্রিন স্কিন এডিটিং ও মোশন ট্রেকিংয়ের মতো দরকারি সব ফিচার রয়েছে এই সফটওয়ারটিতে। টাইমলাইন নিয়ে ভিডিও এডিট করার অপশন রয়েছে যার ফলে খুব সহজে এবং গুছিয়ে ভিডিও এডিট করতে পারবেন। প্লে স্টোর থেকে এই সফটওয়্যার টি ১০০ মিলিয়নেরও বেশি বার ইন্সটল করা হয়েছে রেটিংও খুব ভালো। তাছাড়া সফটওয়্যারটিতে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের এনিমেশন এগুলো নিয়মিত আপডেট করা হয়।


8:KineMaster



আমাদের লিস্টের এবারের সফটওয়ারটি প্রায় সবারই পরিচিত একটি সফটওয়্যার। যার নাম KineMaster। আমরা অনেকেই ইতিমধ্যে এই সফটওয়্যার দিয়ে ভিডিও এডিট করেছি বা করছি। স্মার্টফোনে ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার গুলোর মধ্যে শীর্ষস্থানীয় একটি সফটওয়্যার হল এটি। একটি ভিডিওকে পারফেক্ট ভাবে এডিটিং করার জন্য যত রকমের ফিচারের প্রয়োজন তার প্রায় সকল ফিচার রয়েছে এই সফটওয়্যারটির মধ্যে। এই সফটওয়্যার এর রয়েছে মাল্টিলেয়ার নিয়ে কাজ করার সুবিধা। যার ফলে খুব দ্রুত সময়ে এবং পারফেক্ট ভাবে ভিডিও এডিটিং করতে পারবেন। এই সফটওয়্যারটির অনেক ধরনের মুড ভার্শন অনলাইনে রয়েছে। তাই সহজেই ওয়াটারমার্ক ফ্রী অ্যাপটি অনলাইন থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। তাছাড়া আপনারা চাইলে প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করতে পারেন।


9:VivaVideo


আমাদের লিস্ট এর সর্বশেষ সফটওয়্যারটির নাম VivaVideo। এই সফটওয়্যার ডেভলপার QuVideo Inc.। VivaVideo হল অ্যান্ড্রয়েডের জন্য অল ইন ওয়ান ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার। এই সফটওয়্যারটির সাহায্যে ভিডিও ট্রিম করা, মার্জ করা, স্পিড বাড়ানো, স্পিড কমানো, রিভার্স করা, ব্লার করা, অডিও এডিট করা সহ প্রায় সকল ধরনের ভিডিও এডিটিং করতে পারবেন। ট্রেন্ডিং সকল ইফেক্ট টেমপ্লেট এবং ফিল্টার এই সফটওয়্যারটিতে পেয়ে যাবেন এবং এগুলো নিয়মিত আপডেট করা হয়। তাই আপনারা যদি খুব সহজে ভিডিও এডিটিং করতে চান অর্থাৎ খুব বেশি ভিডিও এডিটিং দক্ষতা না থাকে তাহলেও আপনারা এই সফটওয়্যার টি দিয়ে খুব সহজেই ভিডিও এডিটিং করতে পারবেন। গুগল প্লে স্টোর থেকে এই সফটওয়্যারটি এখন পর্যন্ত মোট ১০০ মিলিয়নেরও বেশি বার ডাউনলোড করা হয়েছে।


10:Quic



আপনারা অনেকেই হয়তো GoPro কোম্পানিটির নাম শুনে থাকবেন। যারা তৈরি করে আসছে অসাধারণ সব একশন ক্যামেরা। Quik সফটওয়্যারটিও GoPro কোম্পানির তৈরি একটি ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার। GoPro এই সফটওয়্যারটি মূলত ডেভলপ করেছে তাদের একশন ক্যামেরা ব্যবহারকারীরা যে ফুটেজগুলো নেয় সেগুলো যাতে তারা এই সফটওয়্যারটি দ্বারা এডিটিং করতে পারে। কিন্তু আপনি চাইলে যেকোন ভিডিও এই ভিডিও এডিটরের মাধ্যমে এডিট করতে পারবেন। এই সফটওয়্যারটিতে একই সাথে ৭৫ টা পর্যন্ত ছবি বা ভিডিও নিয়ে ভিডিও এডিট করতে পারবেন। যেহেতু এটি GoPro এর একটি সফটওয়্যার তাই বিশেষ ফিচার হিসেবে এতে রয়েছে সরাসরি GoPro ক্যামেরা থেকে ফুটেজ ইমপোর্ট করা। সফটওয়্যারটি প্লেস্টোর থেকে বিনামূল্যে ডাউনলোড করতে পারবেন।



এতক্ষণ আমি যেই দশটি বেস্ট ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার নিয়ে আলোচনা করেছি আশাকরি এগুলোর মধ্যে থেকে আপনারা আপনাদের কাঙ্ক্ষিত ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার টি সহজেই বেছে নিতে পারবেন। ভিডিও এডিটিং করার ক্ষেত্রে কোনো কিছু না বুঝলে তা ইউটিউবে লিখে সার্চ দিলেই আপনারা পেয়ে যাবেন এবং সাথে সফটওয়্যারটির নাম উল্লেখ করে দিলে আপনি যে সফটওয়্যারটি ব্যাবহার করছেন সেটি দিয়ে কিভাবে সে কাজটি করবেন তাও খুব সহজে পেয়ে যাবেন। আর এরকম আরো ইন্টারেস্টিং টপিক পাওয়ার জন্য আমাদের ব্লগ টি নিয়মিত ভিজিট করতে পারেন এবং আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

Thank you. 

চা ও সেদ্ধ ডিম একসঙ্গে খেলে যা ঘটবে আপনার শরীরে

 লাইফস্টাইল ডেস্ক: অনেকেরই সকালে চা পান না করলে চলে না এবং চা পান করার পর তারা আবার হয়তো সেদ্ধ ডিমও খেয়ে থাকে অনেক সময়। কিন্তু এই দুটি জিনিস একসঙ্গে খাওয়া খুবই বিপজ্জনক। আসুন জেনে নেই এর অসুবিধাগুলি সম্পর্কে।





দুর্বল হাড়: 

 সেদ্ধ ডিম ও চা একসঙ্গে খেলে শরীরে প্রোটিন কমে যেতে পারে। প্রোটিনের ক্ষতির কারণে, আপনি হাড়ে ব্যথা এবং শক্তভাব অনুভব করতে শুরু করবেন। 

 কোষ্ঠকাঠিন্য: 

 অনেক গবেষণায় বলা হয়েছে যে চা ও সেদ্ধ ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মিশ্রণের কারণেও কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। এই কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাওয়া সহজ নয়।


পেশির ক্ষতি: গবেষণায় বলা হয়েছে, এই দুটি একসঙ্গে খেলে শরীরে প্রোটিনের ক্ষতি হতে পারে। যদি প্রোটিনের ঘাটতি থাকে, তবে এর খারাপ প্রভাবও পেশীতে দেখা যায় এবং আপনি প্রায়শই ব্যথা অনুভব করেন।


ত্বকের সমস্যা:

বলা হয়ে থাকে যে, এই দুটি জিনিস একসঙ্গে খাওয়া হলে ত্বকের সমস্যাও হতে পারে।এমন অবস্থায় সকালের খাবারে এই দুটি জিনিস একসঙ্গে খাবেন না। আপনি যদি এগুলি খেতে চান তবে তাদের খাওয়ার মধ্যে কিছুটা সময় ফাঁক রাখুন। 

অ্যাসিডিটি বা গ্যাস:

খালি পেটে এই দুটো একসঙ্গে খেলে পেটে গ্যাস বা অ্যাসিডিটি হতে পারে। এই সমস্যার কারণে, আপনি সারা দিন বিচলিত থাকতে পারেন, তাই এই দুটি একসঙ্গে খাওয়ার আগে একবার ভাবুন।